সাংবাদিক নিধি রাজদানকে বিয়ে করেছেন ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে এ খবর জানান তাঁরা।৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দুজনের ছবি পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘গতকাল একটি নতু...
সাংবাদিক নিধি রাজদানকে বিয়ে করেছেন ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে এ খবর জানান তাঁরা।৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দুজনের ছবি পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘গতকাল একটি নতুন যাত্রা শুরু হলো।’ পোস্টে নিধি রাজদানকে ট্যাগ করেন তিনি। এর জবাবে ৪৯ বছর বয়সী এই সাংবাদিক ওমর আবদুল্লাহকে ট্যাগ করে লেখেন, ‘ইটস ডান ব্রো।’ এর মধ্য দিয়ে বিয়ের খবর নিশ্চিত করেন তিনি।.এই বিয়ে সম্পর্কে অবগত কয়েকজন জানান, বিয়ে উপলক্ষে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যদের নিয়ে শ্রীনগরে ছোট পরিসরে একটি ঘরোয়া আয়োজন করা হয়। সেখানে ছিলেন ওমর আবদুল্লাহর বাবা ন্যাশনাল কনফারেন্সের সভাপতি ফারুক আবদুল্লাহ, মা মলি আবদুল্লাহ, তাঁর তিন বোন এবং অন্য ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন। নিধি রাজদানের মা-বাবা প্রবীণ সাংবাদিক এম কে রাজদান ও সরলা রাজদানও সেখানে ছিলেন।জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর আগের স্ত্রী ছিলেন পায়েল আবদুল্লাহ। তাঁদের বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যকার টানাপোড়েন একপর্যায়ে আদালতে পৌঁছায়। এ নিয়ে কয়েক বছর ধরে আইনি লড়াই চলে। দীর্ঘদিন ধরে আলাদা থাকা এই দম্পতি সমঝোতায় পৌঁছানোর পর পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন। এরপর গত জুলাইয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ আনুষ্ঠানিকভাবে মঞ্জুর করেন।.ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়, দিল্লির দ্য ওবেরয় হোটেলে কাজ করার সময় পরিচয় হয় ওমর আবদুল্লাহ ও পায়েলের। এরপর ১৯৯৪ সালে তাঁরা বিয়ে করেন। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে। তাঁদের নাম জাহির ও জামির।২০০৯ সাল থেকে এই দম্পতি আলাদা থাকছিলেন। ২০১১ সালে ওমর তাঁদের আলাদা থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে জানান।
সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলীর পেছনে থাকা পটভূমি ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া খতিয়ে দেখে জানা গেছে, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং নীতিনির্ধারকদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ঘটনার শুরু থেকেই সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। দায়িত্বশীল মহলের পক্ষ থেকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক সমঝোতার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা পুরো পরিস্থিতির গতিপ্রকৃতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে গঠনমূলক আচরণ বজায় রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত অনুযায়ী, এই ধরনের ঘটনা দীর্ঘমেয়াদে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের পারস্পরিক সম্পর্ক ও নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। মানবাধিকার, নাগরিক নিরাপত্তা এবং আইনি কাঠামোর স্বচ্ছ প্রয়োগ বজায় রাখার মাধ্যমেই বিদ্যমান যেকোনো সংকটের টেকসই সমাধান সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং আসন্ন দিনগুলোতে এ সংক্রান্ত আরও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সামগ্রিক বিষয়টিকে ইতিবাচক সমাধানের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য দায়িত্বশীল মহলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। পুরো পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে যথাসময়ে অবহিত করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে। বিদ্যমান নিয়মকানুন ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করাই এখন সবার মূল লক্ষ্য।
সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক স্থিতি বজায় রাখতে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর তৎপরতা জোরদার রয়েছে। কোনো প্রকার ভিত্তিহীন তথ্য বা গুজবে কান না দিয়ে সরকারি ও দায়িত্বশীল সূত্রের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির ওপর আস্থা রাখার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। যেকোনো নতুন তথ্য ও তদন্তের অগ্রগতি প্রকাশ্যে এলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় অবগত করানো হবে।
দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা এবং কার্যকর সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সামগ্রিক ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই মুহূর্তের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!