রাজধানীর পল্টনে কালভার্ট রোডে আজ শনিবার একটি প্রাইভেট কারের ধাক্কায় এক রিকশাচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ পরিত্যক্ত অবস্থায় গাড়িটি হেফাজতে নেয়।মতিঝিল ট্রাফিক পুলিশের একটি সূত্র বলছে, গাড়ির চালকের আসনে ছিলেন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ...
রাজধানীর পল্টনে কালভার্ট রোডে আজ শনিবার একটি প্রাইভেট কারের ধাক্কায় এক রিকশাচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ পরিত্যক্ত অবস্থায় গাড়িটি হেফাজতে নেয়। মতিঝিল ট্রাফিক পুলিশের একটি সূত্র বলছে, গাড়ির চালকের আসনে ছিলেন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) সিবগাতুল্লাহর ছেলে।
দুর্ঘটনার পর গাড়ি রেখে তিনি পালিয়ে যান। .পল্টন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি গাড়ি উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গাড়িটির মালিক পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) সিবগাতুল্লাহ।
তবে গাড়িটি কে চালাচ্ছিলেন, তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজ পল্টন টাওয়ার থেকে প্রায় ১০০ মিটার ডান দিকে শাখা সড়কে ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৯-৭০৭৭ নম্বরের একটি গাড়ি একটি রিকশাকে পাশ থেকে ধাক্কা দেয়। এতে রিকশাচালক গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতালে) নিয়ে যান। .এদিকে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনের ১ নম্বর সড়কে ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন মেহেদী হাসান (২৪) নামের এক নির্মাণশ্রমিক। এ সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার উঠে যায় সেই ফুটপাতে।
ঘটনাস্থলেই মারা যান মেহেদী। এ ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা করেন নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদীর ইসলাম। গাড়িচালক হিসেবে আকাশ মারক (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।
দুর্ঘটনার পর গাড়ির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটকও করেছিলেন উপস্থিত লোকজন। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিলেও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে পুলিশ ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কিশোরের সম্পৃক্ততা পায়।
পরে তাকে আইনের সংস্পর্শে আনা হয়। .বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু: চালকের আসনে ছিল কিশোর, মামলায় আসামি আরেকজন।
পল্টনে সাবেক অতিরিক্ত আইজিপির গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক আহত, চালকের আসনে ছিলেন ছেলে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, রাজনীতি অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!