জুলাই ঐক্যআমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভিন্নমত প্রকাশের অধিকারের প্রতি চরম অবজ্ঞা হিসেবে উল্লেখ করেছে ‘জুলাই ঐক্য’। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর দায়িত্বে থেকে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই দায়িত্বশীল হতে পারে না উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও...
জুলাই ঐক্যআমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভিন্নমত প্রকাশের অধিকারের প্রতি চরম অবজ্ঞা হিসেবে উল্লেখ করেছে ‘জুলাই ঐক্য’। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর দায়িত্বে থেকে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই দায়িত্বশীল হতে পারে না উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে জুলাই ঐক্যের পক্ষ থেকে বলা হয়, ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পরও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কারো কারো আচরণে পুরোনো অসহিষ্ণু মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সংবাদমাধ্যমের কোনো সংবাদ বা সম্পাদকীয় অবস্থান পছন্দ না হলে তার প্রতিবাদ করার গণতান্ত্রিক অধিকার সবার রয়েছে। তথ্য ও যুক্তি দিয়ে সমালোচনা করা যেতে পারে; কিন্তু পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা, সাংবাদিকদের হেয় করা বা সংঘবদ্ধ মবের পরিবেশ তৈরি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমার দেশ কার্যালয়ে সাম্প্রতিক ককটেল হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, পত্রিকাটির ওপর হামলা বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত নতুন বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর এ ধরনের আচরণের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট অবস্থান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে আমার দেশ কার্যালয়ে হামলার নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছে জুলাই ঐক্য।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
এর বিরুদ্ধে রাশেদ খানের আচরণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ: জুলাই ঐক্য—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, রাজনীতি অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!