খেলার মাঠে মেধার স্বাক্ষর রাখা বাংলাদেশের তরুণ ক্রীড়াবিদরা এবার মাঠের বাইরেও গড়েছেন সাফল্যের নতুন গল্প। গতকাল প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার কমে ৫২.১২ শতাংশ হলেও জাতীয় পর্যায়ের একঝাঁক অ্যাথলেটের সাফল্য দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দের হাওয়া বইয়ে দিয়েছে।
খেলার মাঠে মেধার স্বাক্ষর রাখা বাংলাদেশের তরুণ ক্রীড়াবিদরা এবার মাঠের বাইরেও গড়েছেন সাফল্যের নতুন গল্প। গতকাল প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার কমে ৫২.১২ শতাংশ হলেও জাতীয় পর্যায়ের একঝাঁক অ্যাথলেটের সাফল্য দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দের হাওয়া বইয়ে দিয়েছে। বিকেএসপি থেকে অংশ নিয়ে সাফল্যের দারুণ আলো ছড়িয়েছেন জাতীয় নারী হকি দলের যমজ বোন হিমাদ্রী বড়ুয়া ও নিলাদ্রী বড়ুয়া।
ক্যাম্পের ব্যস্ততার মাঝেও হিমাদ্রী অর্জন করেছেন জিপিএ ৫ এবং নিলাদ্রী পেয়েছেন ৪.৮৩। এ নিয়ে বিকেএসপির সাত হকি তারকার ছয়জনই উত্তীর্ণ হয়েছেন। ক্রীড়াঙ্গনের অন্য অঙ্গনেও ছড়িয়েছে সাফল্যের এই রেশ।
টেবিল টেনিসের ‘রানি’খ্যাত খই খই সাই মারমা বড় টুর্নামেন্ট মিস করার চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.৬৭ পেয়েছেন। ফুটবল অঙ্গনে আলো ছড়িয়েছেন বসুন্ধরা কিংসের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ (জিপিএ ৪.৭১) ও অনূর্ধ্ব-২০ দলের গোলরক্ষক মাহিন (জিপিএ ৪.২৫)। নারী ফুটবলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ ৪ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন স্বর্ণা রানি মণ্ডল।
ফুটবলারদের মধ্যে নবিরন, ঐশী, বন্যা, স্বপ্না ‘বি’ গ্রেড পেয়েছেন। অন্যদিকে পেস বোলিংয়ের মতো পড়াশোনার বাধা ডিঙিয়ে সাফল্য পেয়েছেন জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের মারুফা আক্তার (জিপিএ ৩.১৭)। উচ্চশিক্ষার স্বপ্নে বিভোর এসব অ্যাথলেটের এমন কৃতিত্ব প্রমাণ করে—ইচ্ছাশক্তি ও কঠোর পরিশ্রমে একইসঙ্গে মাঠ ও পড়াশোনা দুই দিগন্তেই জয়ী হওয়া সম্ভব।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
এইচএসসিতে ক্রীড়াবিদদের উড়ন্ত সাফল্য—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!