জয়ের জন্য লক্ষ্য ছিল ২৮৮। টার্গেট ছুঁতে সাহসী ব্যাটিং করতে পারল না অস্ট্রেলিয়া। সাইমন হারমারের ঘূর্ণি এবং কাগিসো রাবাদার পেস আক্রমণের মুখে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে গেছে অতিথিরা। তাতে ১৭৬ রানের বড় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এ জয়ে তিন ম্যাচের টেস্ট ...
জয়ের জন্য লক্ষ্য ছিল ২৮৮। টার্গেট ছুঁতে সাহসী ব্যাটিং করতে পারল না অস্ট্রেলিয়া। সাইমন হারমারের ঘূর্ণি এবং কাগিসো রাবাদার পেস আক্রমণের মুখে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে গেছে অতিথিরা।
তাতে ১৭৬ রানের বড় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এ জয়ে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নিল প্রোটিয়ারা। ২৮৮ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে অজিরা।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই রাবাদা জোড়া আঘাত হেনে ম্যাট রেনশ (০) ও মার্নাস লাবুশেনকে (৪) সাজঘরে ফেরান। কিছুক্ষণের মধ্যে ট্রাভিস হেডকেও (১৪) বিদায় করেন তিনি। মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়া অস্ট্রেলিয়া আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
জশ ইংলিস (৪), অ্যালেক্স কেরি (২) এবং কুপার কনোলিরা (০) দ্রুত বিদায় নিলে ৪২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা। পরে স্পিনার সাইমন হারমারের তাণ্ডবে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে অজিরা। মিচেল স্টার্ক (০) ও ক্যামেরন গ্রিন (২৭) লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও বেশিদূর এগোতে পারেননি।
শেষদিকে অধিনায়ক প্যাট কামিন্স (৯০ বলে ১১) ও নাথান লায়নের (অপরাজিত ৩৩) মধ্যে ৪৫ রানের নবম উইকেট জুটি ব্যবধান কিছুটা কমিয়েছে কেবল। ৫৭.১ ওভারে ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ম্যাচের মূল নায়ক সাইমন হারমার।
২১.১ ওভারে ১৪টি মেডেনসহ মাত্র ১৬ রান দিয়ে একাই শিকার করেন ৬ উইকেট। অন্যদিকে কাগিসো রাবাদা ১৪ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে শিকার করেন ৩টি উইকেট। দক্ষিণ আফ্রিকা : ৩২৯/১০ ও ৩৮৭/১০।
অস্ট্রেলিয়া : ৪২৯/১০ ও ১১১/১০, ৫৭.১ ওভার (লায়ন ৩৩*, গ্রিন ২৭, হেড ১৪, কামিন্স ১১;। ফল : দক্ষিণ আফ্রিকা ১৭৬ রানে জয়ী। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
অজিদের গুঁড়িয়ে সিরিজ জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!