দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র ১৪ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল, সঙ্গে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের লাল কার্ড—সব মিলিয়ে স্টামফোর্ড ব্রিজে স্বস্তির জয় পেয়েছে চেলসি। আজ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ২-০ গোলে হারিয়েছে লন্ডনের ক্লাবটি। এই হারে আরও চাপে পড়েছেন ইউনাইটেড কোচ...
দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র ১৪ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল, সঙ্গে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের লাল কার্ড—সব মিলিয়ে স্টামফোর্ড ব্রিজে স্বস্তির জয় পেয়েছে চেলসি। আজ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ২-০ গোলে হারিয়েছে লন্ডনের ক্লাবটি। এই হারে আরও চাপে পড়েছেন ইউনাইটেড কোচ মাইকেল ক্যারিক।
ম্যাচের প্রথমার্ধে বরং আক্রমণে এগিয়ে ছিল ইউনাইটেড। অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেস ও আমাদ দিয়ালো একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি। চেলসি গোলরক্ষক মাইক পেন্ডার্সও কয়েকবার দলকে বিপদ থেকে বাঁচান।
দুই দলের একটি করে গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হওয়ায় বিরতির আগে স্কোরলাইন ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেন মর্গান রজার্স। ৫০ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত গতিতে ইউনাইটেডের রক্ষণ ভেঙে বক্সে ঢোকেন তিনি।
এরপর গোলরক্ষক সেনি লামেন্সকে পরাস্ত করে চেলসিকে এগিয়ে দেন এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড। ৬১ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের ঘটনায় আরও বিপদে পড়ে ইউনাইটেড। ওয়েসলি ফোফানাকে কনুই দিয়ে আঘাত করার পর ভিডিও পর্যালোচনায় পেনাল্টি পায় চেলসি।
৬৪ মিনিটে স্পটকিক থেকে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কোল পালমার। শেষ দিকে এস্তেভাওর আরেকটি গোল অফসাইডে বাতিল হয়। যোগ করা সময়ে ব্রায়ান এমবুমোর শটও ঠেকিয়ে দেন পেন্ডার্স।
এই জয়ে চেলসি উঠে এসেছে পয়েন্ট তালিকার চতুর্থ স্থানে। অন্যদিকে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা নবম ম্যাচে জয়হীন ইউনাইটেড। ১৯৮৮ সালের পর এটিই ক্লাবটির দীর্ঘতম জয়খরা।
লিগে নয় ম্যাচে মাত্র এক জয় নিয়ে অবনমন অঞ্চলের এক পয়েন্ট ওপরে রয়েছে তারা। ক্যারিকের ভবিষ্যৎ নিয়েও তাই বাড়ছে অনিশ্চয়তা। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
১০ জনের ইউনাইটেডকে হারিয়ে চারে চেলসি—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!