বিএনপির দুই পক্ষের পৃথক কর্মসূচি, এক পক্ষ বলল, ‘দলে পোস্ট থাকলেই বিএনপি হয় নাকি?’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে বিএনপির বিবদমান দুটি গ্রুপ আলাদাভাবে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে। এতে স্থানীয় বিএনপির পুরোনো বিভক্তি আবারও প্রকাশ্যে এসেছে। এ জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করেছে উভয় পক্ষ।চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া ও সদস্যসচিব রফিকুল ইসলামের ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে বিএনপির বিবদমান দুটি গ্রুপ আলাদাভাবে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে। এতে স্থানীয় বিএনপির পুরোনো বিভক্তি আবারও প্রকাশ্যে এসেছে। এ জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করেছে উভয় পক্ষ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া ও সদস্যসচিব রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন জেলা বিএনপির একাংশ আজ শনিবার বেলা তিনটায় পৌর পার্ক মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সমাবেশের আয়োজন করে। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম।
.অন্যদিকে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ ও তাঁর স্ত্রী সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি নেত্রী সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়ার নেতৃত্বাধীন দলের অন্য অংশ একই সময় হরিমোহন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশের আয়োজন করে। জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে হারুনুর রশীদ আর প্রধান বক্তা হিসেবে সৈয়দা আশিফা আশরাফি বক্তব্য দেন। .পৃথক কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘২০২২ সালে জেলা বিএনপির দায়িত্ব আমাদেরই দেওয়া হয়েছে।
আমরাই দলের প্রতিনিধি। তাই আমরা জেলা বিএনপির উদ্যোগে কর্মসূচি পালন করেছি। ’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে হারুনুর রশীদ ও আশিফা আশরাফির কোনো সম্পর্ক নেই।
তাদের জিজ্ঞেস করুন, তাঁরা কেন আলাদাভাবে কর্মসূচি করেছেন। ’.বিএনপির এই অংশের বিরুদ্ধে জামায়াত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এনেছেন সৈয়দা আশিফা আশরাফি। তিনি বলেন, ‘আলাদা আর একসঙ্গে তো না, আমরা যেভাবে পালন করি, সেভাবেই করেছি।
যারা দাঁড়িপাল্লার মঞ্চে ওঠে, নৌকার মঞ্চে ওঠে, স্বতন্ত্র ভোট করে—এগুলো কি কখনো বিএনপি হয়। এগুলো তো বিএনপি হয় না। এগুলো জামায়াতের অংশ।
দলে পোস্ট থাকলেই বিএনপি হয় নাকি। পোস্ট থাকলেই বিএনপি হয় না। ’.আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে অনেক নেতা-কর্মী ক্ষুব্ধ ও হতাশ।
বিএনপির দুই পক্ষের পৃথক কর্মসূচি, এক পক্ষ বলল, ‘দলে পোস্ট থাকলেই বিএনপি হয় নাকি?’—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।






মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।