মোদি সরকারের আমলে ভারতে নিপীড়নের শিকার ২০ কোটি মুসলিম: সোনিয়া গান্ধী

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর স্ত্রী সোনিয়া গান্ধী। ছবি: সংগৃহীতভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর স্ত্রী সোনিয়া বলেছেন, কংগ্রেসের নেতৃত্বে ভারত যে বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের ধারণা ধারণ করেছিল, বর্তমান সরকারের হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গ...
ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর স্ত্রী সোনিয়া গান্ধী। ছবি: সংগৃহীতভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর স্ত্রী সোনিয়া বলেছেন, কংগ্রেসের নেতৃত্বে ভারত যে বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের ধারণা ধারণ করেছিল, বর্তমান সরকারের হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তার বিপরীত। এর ফলে দেশটির সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে প্রায় ২০ কোটি মুসলিমের ওপর নিপীড়নের ঘটনা ঘটছে।
সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি। সাক্ষাৎকারে ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কঠোর সমালোচনা করে সোনিয়া গান্ধী অভিযোগ করেন, মোদি একজন কর্তৃত্ববাদী শক্তি, যিনি ভারতের রাষ্ট্রীয় চরিত্র বদলে দিতে চান। বিজেপি পরিকল্পিতভাবে দেশটির গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, ভারতের রাজনীতিতে আগে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনা, পরামর্শ এবং পারস্পরিক সৌজন্যের চর্চা ছিল। এখন সংসদে বিরোধীদের কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয় না। বিরোধী দলকে কোনো গুরুত্বই দেওয়া হচ্ছে না।
মোদি ক্ষমতায় আসার পর তার সঙ্গে খুব কমই কথা হয়েছে বলে জানান সোনিয়া। তার অভিযোগ, একই কক্ষে থাকলেও মোদি অনেক সময় তার দিকে তাকানো এড়িয়ে যান। অথচ অতীতে সরকার ও বিরোধী দলের নেতাদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকত।
বিজেপির ‘কংগ্রেসমুক্ত ভারত’ স্লোগানের সমালোচনা করে সোনিয়া বলেন, তিনি ও তার সন্তানদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে একের পর এক মামলা করা হচ্ছে। তার ভাষায়, বিরোধীদের প্রতি সরকার অত্যন্ত প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণ করছে। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
মোদি সরকারের আমলে ভারতে নিপীড়নের শিকার ২০ কোটি মুসলিম: সোনিয়া গান্ধী—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।






মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।