ব্রেকিং নিউজ

সংবাদ বা বিষয় অনুসন্ধান করুন

24TV.Live
প্রচ্ছদ লাইভ টিভি সংবাদ খেলাধুলা ই-স্পোর্টস পত্রিকা ডিরেক্টরি যোগাযোগ
কল করুন হোয়াটসঅ্যাপ
ক্যাটাগরি সমূহ:
জাতীয় আন্তর্জাতিক ই-স্পোর্টস দেশ ২৪ দেশ সংবাদ রাজনীতি অর্থনীতি খেলাধুলা
জাতীয় ব্রেকিং শীর্ষ সংবাদ ফ্যাক্ট-চেকড

৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি মহাজোটের নামে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

System Administrator • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬ • ২ বার পঠিত
ফন্ট সাইজ:
৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি মহাজোটের নামে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র করেছিল: প্রধানমন্ত্রী
৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি মহাজোটের নামে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র করেছিল: প্রধানমন্ত্রী ছবি: 24TV.Live
24tv.live AI চালিত পোর্টাল
২৪tv.live — বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র সম্পূর্ণ এআই-ভিত্তিক লাইভ টিভি, নিউজ ও স্পোর্টস পোর্টাল
ভিজিট করুন: 24tv.live
এই সংবাদটি অডিওতে শুনুন
স্বয়ংক্রিয় বাংলা ভয়েস রিডার (Web Speech API)

৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি মহাজোটের নামে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি মহাজোটের নামে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র করেছিল: প্রধানমন্ত্রী বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১৯: ২৮ শেয়ার করুন ফলো করুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানফাইল ছবি প্রথম আলোকে নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে পেতে হলে এখানে ক্লিক করুন ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ এবং ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। আগামীকাল শনিবার দিবসটি পালন করা হবে।

১৯৭১ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল, একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যাতে দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে কিংবা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত।

এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করেন। এসব আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে দিনটি ছিল শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন এবং বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ। যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে এবং সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়। জাতীয় ঐক্য উন্নত ও বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ ঠেকাতে তিনি দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। বাণীর শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র নস্যাৎ এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার প্রত্যয়ে দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী মানুষের দীপ্ত উচ্চারণ হোক, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

তিনি জাতীয়ভাবে ৭ নভেম্বর উদ্‌যাপনের সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি মহাজোটের নামে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র করেছিল: প্রধানমন্ত্রী বিশেষ প্রতিনিধি—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। 24TV Autonomous Desk ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।

বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, রাজনীতি অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: এই সংবাদটির মূল তথ্য ও বিবরণ 24TV AI Desk থেকে সংগৃহীত। 24TV.Live এর এআই নিউজ এডিটর সম্পাদকীয় নীতি ও মানদণ্ড বজায় রেখে এটি পুনর্লিখন করেছে।

মন্তব্য (০)

আপনার মতামত লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!

আরও পড়তে পারেন

বেটা ঘোষণা: এটি 24TV.Live এর বেটা সংস্করণ। আপনার মতামত জানান।
মতামত দিন