জাতীয়
ফ্যাক্ট-চেকড
যুদ্ধ যখন অনিবার্য, মেজর জিয়া তখন যুদ্ধের ডাক দিলেন: জহির উদ্দিন স্বপন
System Administrator
•
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬
•
১ বার পঠিত
ফন্ট সাইজ:
24tv.live
AI চালিত পোর্টাল
২৪tv.live — বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র সম্পূর্ণ এআই-ভিত্তিক লাইভ টিভি, নিউজ ও স্পোর্টস পোর্টাল
এই সংবাদটি অডিওতে শুনুন
স্বয়ংক্রিয় বাংলা ভয়েস রিডার (Web Speech API)
ছবি: আমার দেশপ্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি বলেছেন, যুদ্ধ যখন অনিবার্য, মেজর মেজর জিয়া তখন যুদ্ধের ডাক দিলেন। ৩রা নভেম্বর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি অংশ আরো একটি অদ্ভুত্থান করেছিল। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে খালেদ মোশাররফকে হত্যা করেছিল আরেকটি বাহিনী। এভাবেই কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে জাসদের সমর্থকরা আরো একটি বিপ্লবের ডাক দিয়েছিল।
অদ্ভুত্থান পাল্টা অদ্ভুত্থান জাতি যখন হতাশ হয়েছে। তখন, ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ রাত ২টার সময় যেমন করে মেজর জিয়া বলেছিলেন আমি মেজর জিয়া বলছি, শেখ মুজিব বিহীন বাংলাদেশে যেমন করে মেজর জিয়া মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন, তখন মুজিব বিহীন বাংলাদেশে সেই দিন দিকনির্দেশনা হীন জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন যে মেজর জিয়া, সেই ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের মেজর জিয়াই আবার ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর এই নৈরাজ্যের বাংলাদেশ সিপাহী জনতার অদ্ভুত্থানের মধ্য দিয়ে মুক্তি পেয়ে এসে জাতিকে বললেন আমারা বাংলাদেশে নতুনভাবে রাজনীতি করতে চাই। তার ডাকে শান্ত হলো বাংলাদেশ।
আওয়ামী লীগের ব্যর্থতার প্রেক্ষাপটে তৎকালীন অন্যান্য রাজনৈতিক দলের উপর জনগণের তেমন আস্থা ছিল না। শেখ মুজিবের ব্যর্থতা অন্যান্য দলের প্রতি আস্থার অভাব। এমন পরিস্থিতিতে ১৯৭১ সালের মেজর জিয়া এবং ৭৫ সালের জেনারেল জিয়া সমস্ত রাজনৈতিক দল, সকল নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে সমস্ত জাতিকে তিনি ঐক্যবদ্ধ করলেন এবং তিনি প্রথমেই যে কাজটি করলেন, সেটি হচ্ছে তিনি সমগ্র জাতিকে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতীয় পরিচয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন। কি সেই পরিচয়, সেই পরিচয় হচ্ছে আমরা বাংলাদেশী।
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।
আলোচনা সভার অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল।
গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম কাজল, বরিশাল উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদুল আলম খান সেন্টু, গৌরনদী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব সফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান খোকন প্রমুখ ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
তথ্যসূত্র: এই সংবাদটির মূল তথ্য ও বিবরণ RSS queue #1307 থেকে সংগৃহীত। 24TV.Live এর এআই নিউজ এডিটর সম্পাদকীয় নীতি ও মানদণ্ড বজায় রেখে এটি পুনর্লিখন করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!