সুন্দরবনে নিখোঁজ পর্যটক উদ্ধারে যৌথ অভিযান

ছবি: আমার দেশসুন্দরবন ভ্রমণে গিয়ে ময়মনসিংহের ভালুকার রিয়াজ আহমেদ নামে এক পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ পর্যটককে উদ্ধারে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড যৌথ অভিযা...
ছবি: আমার দেশসুন্দরবন ভ্রমণে গিয়ে ময়মনসিংহের ভালুকার রিয়াজ আহমেদ নামে এক পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ পর্যটককে উদ্ধারে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড যৌথ অভিযান শুরু করেছে। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ নভেম্বর পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশন থেকে মিজানুর রহমান পরিচালিত ইকো ট্যুরিজম-২ নামের একটি পর্যটকবাহী বোট সুন্দরবন ভ্রমণে যায়। বিএলসি নম্বর ২৬২৭০৮০৬০০৪-এর ওই বোটে নরসিংদীর ৯ জন, ময়মনসিংহের ৯ জন এবং ঢাকা-গাজীপুরের একজনসহ মোট ১৯ জন পর্যটক ছিলেন।
শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে শরণখোলা রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত দুবলার চরে পৌঁছানোর আগেই বোটেটি নতুন জেগে ওঠা একটি চরে আটকে যায়। এ সময় বোটের ক্রু ও অন্যরা ধাক্কা দিয়ে সেটি ছাড়ানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে বোটে থাকা পর্যটকরাও নিচে নেমে বোটটি ছাড়ানোর কাজে অংশ নেন।
দীর্ঘ চেষ্টার পরও বোটেটি ছাড়ানো সম্ভব না হলে সবাই আবার বোটে উঠে আসেন। পরে ট্যুর গাইড পর্যটকদের গণনা করতে গিয়ে একজনকে কম পান। এরপর বোটের প্রতিটি কেবিনে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান মেলেনি।
ট্যুর গাইড মিজানুর রহমান বলেন, বোটের প্রতিটি কেবিনে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। এরপর বন বিভাগ ও কোস্টগার্ডকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে নিখোঁজের খবর পেয়ে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক শাহিনুর ইসলাম বলেন, একজন পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবর তাঁরা পেয়েছেন। তবে তাঁর নাম-ঠিকানা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁকে উদ্ধারে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড কাজ করছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
সুন্দরবনে নিখোঁজ পর্যটক উদ্ধারে যৌথ অভিযান—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।