৭ নভেম্বর উপলক্ষে বায়তুল মোকাররমে কোরআন খতম ও বিশেষ দোয়া

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র কোরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র কোরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে মসজিদের দক্ষিণ সাহানে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয় বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, ‘প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল কাসেম এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন জাতীয় শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সদস্যবৃন্দসহ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মাহফিলে পবিত্র কোরআন খতম শেষে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এ সময় মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করা হয়। তার মরহুম ভাই আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনায়ও বিশেষ দোয়া করা হয়।
এ ছাড়া দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সংহতি প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
৭ নভেম্বর উপলক্ষে বায়তুল মোকাররমে কোরআন খতম ও বিশেষ দোয়া—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, রাজনীতি অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।