রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজারে একটি মেসে রান্নার চুলা ব্যবহার নিয়ে বিরোধের জেরে মারধর ও কাঁচি দিয়ে আঘাতের ঘটনায় নিরব হোসেন (১৫) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধী...
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজারে একটি মেসে রান্নার চুলা ব্যবহার নিয়ে বিরোধের জেরে মারধর ও কাঁচি দিয়ে আঘাতের ঘটনায় নিরব হোসেন (১৫) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।নিরব পেশায় মিস্ত্রি ছিল। সে রায়েরবাজারের গ্রিন গলির একটি মেসে থাকত। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার রামনগর গ্রামে। তার বাবা রংমিস্ত্রি এনায়েত হোসেন মুন্সি।.নিরবের বড় ভাই পিয়াল হোসেনের ভাষ্য, গত ১৯ অক্টোবর রাত সাড়ে আটটার দিকে মেসে গ্যাসের চুলায় ভাত রান্না করছিল নিরব। এ সময় একই মেসের রংমিস্ত্রি আলমগীর (২৮) রান্না করতে আসেন। চুলা ব্যবহার নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। নিরব ভাত রান্নার পর ডিম সেদ্ধ করতে চেয়েছিল। আলমগীর একই চুলায় রান্না করতে চাইলে বিরোধ বাধে। পরে নিরব নিজের কক্ষে চলে যায়।পিয়াল হোসেন বলেন, রাতে তিনি ও নিরব বিছানায় শুয়ে ছিলেন। হঠাৎ আলমগীর, তার ছোট ভাই শিমুল এবং তাদের ভাতিজা নাজিম ও ফাহিম মিলে নিরবকে মারধর করতে থাকেন। একপর্যায়ে শিমুল কাঁচি দিয়ে নিরবের ঘাড়ে দুটি আঘাত করেন। তিনি বাধা দিতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়।.গুরুতর আহত নিরবকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওই রাতেই শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয় তাকে। পরে ২২ অক্টোবর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা করা হয়েছে। পিয়াল জানায়, পুলিশ আলমগীরকে আটক করলেও পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।.মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম কবির বলেন, নিরবের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। হত্যাচেষ্টার মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে নিরব ছিল সবার ছোট।
মাঠের লড়াইয়ের সামগ্রিক চিত্রে দেখা গেছে, শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছিল। উইকেটের চরিত্র এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ব্যাটার ও বোলার উভয়কেই বেশ কৌশলী ভূমিকা পালন করতে হয়েছে। বলের গতিবিধি ও লেন্থ বজায় রেখে বোলাররা যেমন চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চালান, তেমনি ব্যাটাররাও ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দলের রানের চাকা সচল রাখেন। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে দলের প্রধান খেলোয়াড়দের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ও নিখুঁত শট নির্বাচন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের অনুকূলে রাখতে বড় অবদান রাখে।
দলের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্য অনুসারে, পূর্ববর্তী ম্যাচগুলোর অভিজ্ঞতা ও ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা মাঠের খেলায় দারুণভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। প্রতিপক্ষের শক্তি ও দুর্বলতা পর্যালোচনা করে টিম ম্যানেজমেন্ট যে গেমপ্ল্যান তৈরি করেছিল, খেলোয়াড়রা মাঠে সুশৃঙ্খলভাবে তা কার্যকর করেছেন। কঠিন চাপের মুখে ধৈর্য না হারিয়ে শান্ত মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতাই দলটিকে সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে দিতে প্রধান ভূমিকা রাখে। সমর্থকদের প্রাণবন্ত সমর্থনও মাঠের লড়াইয়ে বাড়তি উৎসাহ জুগিয়েছে।
টুর্নামেন্ট বা সিরিজের সমীকরণের দিক থেকে এই খেলার ফলাফল ও অর্জন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মুখোমুখি লড়াইয়ের অতীত রেকর্ডে এই পারফরম্যান্স নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং দলীয় আত্মবিশ্বাস বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, সামনে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থাকায় খেলোয়াড়দের এই ইতিবাচক ছন্দ ও মানসিক সংহতি ধরে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। ধারাবাহিক পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে পারলে সামনের দিনগুলোতে দল আরও বড় সাফল্যের দেখা পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!