সুন্দরবনে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

সুন্দরবনের দুবলার চরের আলোরকোল সি-বিচের পাশ থেকে নিখোঁজ পর্যটক মো. রিয়াজ আহমেদের (২৮) লাশ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।
সুন্দরবনের দুবলার চরের আলোরকোল সি-বিচের পাশ থেকে নিখোঁজ পর্যটক মো. রিয়াজ আহমেদের (২৮) লাশ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। শনিবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। রিয়াজ আহমেদ ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার কাঠালী পশ্চিমপাড়ার আবুল বাশার ঢালীর ছেলে।
শুক্রবার দুপুরে সমুদ্রে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হন তিনি। শরণখোলা রেঞ্জের এসিএফ দীপন চন্দ্র দাস ‘আমার দেশ’-কে জানান, নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে বন বিভাগের সদস্যরা কোস্ট গার্ডের সঙ্গে সমুদ্র ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে আসছিলেন। শনিবার রাত আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে আলোরকোল সি-বিচের পাশ থেকে বন বিভাগের সদস্যরা তাঁর লাশ উদ্ধার করেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ‘সুন্দরবন ইকোট্যুরিজম-২’ নামের একটি কাঠের তৈরি পর্যটকবাহী ছোট লঞ্চে করে ১৯ জনের একটি দল সুন্দরবনে ভ্রমণে আসে। গত ৫ নভেম্বর সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলী স্টেশন থেকে তিন দিনের অনুমতিপত্র নিয়ে মান্দারবাড়ী নৌপথ দিয়ে তারা সুন্দরবনে প্রবেশ করে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে পর্যটকবাহী লঞ্চটি দুবলার চরের আলোরকোলে পৌঁছায়।
পরে পর্যটকেরা ট্রলারে করে চরে নামেন। একপর্যায়ে রিয়াজসহ কয়েকজন সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নামেন। এ সময় সাগরের প্রবল ঢেউ ও স্রোতের টানে রিয়াজ তলিয়ে যান।
এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ঘটনার পরপরই আলোরকোল শুঁটকি পল্লি রেলের জেলেরা ট্রলার নিয়ে সাগরে তল্লাশি শুরু করেন। পরে কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগের সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন।
তবে সাগরের উত্তাল পরিস্থিতির কারণে প্রথম দিন তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার পরপরই কোস্ট গার্ডের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
সুন্দরবনে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।






মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।