প্রথম ইনিংসে ব্যাট করার মতো অবস্থায় নেই সাদমান

ফিল্ডিং করার সময় মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরই বোঝা গিয়েছিল সাদমান ইসলামের চোটটা বেশ গুরুতর। স্ট্রেচারে করে তাঁকে তখন মাঠ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বাংলাদেশ দলের এই ওপেনারকে নেওয়া হয় হাসপাতালেও। ইনিংসের বাকি সময় ফিল্ডিং তো বটেই, প্রথম ইনিংসে দলের হয় ওপেনও করতে পারেননি সাদমান।এবা...
ফিল্ডিং করার সময় মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরই বোঝা গিয়েছিল সাদমান ইসলামের চোটটা বেশ গুরুতর। স্ট্রেচারে করে তাঁকে তখন মাঠ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বাংলাদেশ দলের এই ওপেনারকে নেওয়া হয় হাসপাতালেও।
ইনিংসের বাকি সময় ফিল্ডিং তো বটেই, প্রথম ইনিংসে দলের হয় ওপেনও করতে পারেননি সাদমান। এবার জানা গেল, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে তাঁকে ব্যাটিংয়েই পাওয়া যাবে না। বিসিবির পাঠানো ভিডিও বার্তায় জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজীদুল ইসলাম বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে তিনি প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করার অবস্থায় নেই।
’ সাদমান মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করেছিলেন। .দুপুরে জানানো হয়েছিল, বাঁ পায়ের গোড়ালি মচকে গেছে সাদমানের। এমআরআই করানোর পর তাঁর সর্বশেষ অবস্থা জানানো হবে বলে জানায় বিসিবির মেডিক্যাল বিভাগ।
সন্ধ্যায় সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে বায়েজীদুল বলেছেন, ‘আমরা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছি। পাশাপাশি তাঁর স্ক্যানও করানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, তিনি চোট পেয়েছেন।
আগামীকাল স্ক্যানের প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। এরপর চোটের ধরন এবং সেরে উঠতে কত দিন লাগতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে। ’সাদমান খেলতে না পারলে বাংলাদেশের বদলি ব্যাটসম্যান নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
প্রথম ইনিংসে তাঁর জায়গায় উদ্বোধনে নামেন নাঈম হাসান। আগের টেস্টে ৮ নম্বরে নামা নাঈম ৬ বলে ৫ রান করে আউট হয়েছেন। প্রথম ইনিংসে ক্যারিবীয়দের ৩৫৬ রানের পর দ্বিতীয় দিন শেষে ৩ উইকেটে ৮৮ রান করেছে বাংলাদেশ।
.হাসান মাহমুদের দিনে বাংলাদেশের আশা হৃদয়–মুশফিক।
প্রথম ইনিংসে ব্যাট করার মতো অবস্থায় নেই সাদমান—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।