২৪টিভি লাইভ • বাংলাদেশের সবচাইতে বড় নিউজ, টিভি ও স্পোর্টস পোর্টাল
LIVE 1080p FHD AUTO STREAM
স্পনসর বিজ্ঞাপন / Google AdSense Leaderboard (Responsive)
24TV.LIVE ডিজিটাল মিডিয়া পোর্টাল
হোম HEALTH সংবাদ পাঠ
HEALTH ফ্যাক্ট-চেকড

একঘেয়েমি ও কর্মস্পৃহা হারানোর চক্র ভেঙে ঘুরে দাঁড়ানোর ৭টি কার্যকর কৌশল

একঘেয়েমি ও কর্মস্পৃহা হারানোর চক্র ভেঙে ঘুরে দাঁড়ানোর ৭টি কার্যকর কৌশল
সংবাদ চিত্র ও সংগ্রহ: News Source ছবি স্বত্ব সংরক্ষিত
24tv
24tv.live লাইভ ২৪/৭

বাংলাদেশের সবচাইতে বড় নিউজ, টিভি ও স্পোর্টস পোর্টাল

ভিজিট করুন: ভিজিট করুন: 24tv.live
ভেরিফাইড ডিজিটাল নিউজ নেটওয়ার্ক সরাসরি টিভি স্ট্রিমিং • শীর্ষ ১০ পোর্টাল আরএসএস • লাইভ স্পোর্টস স্কোর 24TV DIGITAL
এই সংবাদটি অডিওতে শুনুন
স্বয়ংক্রিয় বাংলা ভয়েস রিডার (Web Speech API)

কাজে অনীহা ও দীর্ঘস্থায়ী একঘেয়েমি কেবল কর্মক্ষমতাই কমায় না, বরং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দৈনন্দিন রুটিনে সামান্য পরিবর্তন এনে এই জড়তা কাটিয়ে পুনরায় উদ্যমী হয়ে ওঠা সম্ভব।

বর্তমান দ্রুতগতির কর্মজীবনে মানসিক ক্লান্তি, একঘেয়েমি এবং কাজের প্রতি অনীহা একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ করার শারীরিক সামর্থ্য এবং সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় অনীহা কাজ করে, যাকে আমরা সাধারণত অলসতা বলে ভুল করি। তবে মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এটি কেবল অলসতা নয়, বরং অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা রুটিনের একঘেয়েমির ফল। এই স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে এবং কর্মক্ষমতা ফিরে পেতে বিশেষজ্ঞরা জীবনযাত্রায় কিছু সুনির্দিষ্ট পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রথমত, কাজের মাঝে ছোট বিরতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। একটানা কাজ করলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যায়, যা একঘেয়েমি তৈরি করে। পমোডোরো টেকনিকের মতো পদ্ধতি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সময় কাজ করার পর সংক্ষিপ্ত বিরতি নিলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। দ্বিতীয়ত, বড় কোনো কাজকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নেওয়া উচিত। এতে কাজের পাহাড়সমান চাপ মাথায় থাকে না এবং প্রতিটি ছোট অংশ শেষ করার পর একধরনের মানসিক তৃপ্তি ও উৎসাহ পাওয়া যায়, যা পরবর্তী কাজ করতে অনুপ্রেরণা জোগায়।

তৃতীয়ত, শারীরিক সচলতা বজায় রাখা মানসিক জড়তা কাটাতে সরাসরি সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি, হালকা ব্যায়াম কিংবা যোগব্যায়াম করলে শরীরে এন্ডোরফিন হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে, যা মনকে প্রফুল্ল রাখে এবং কাজের শক্তি জোগায়। চতুর্থত, খাদ্যাভ্যাস ও ঘুমের নিয়মে শৃঙ্খলা আনা আবশ্যক। পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুষম খাবার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে, যা ক্লান্তি ও অলসতা দূর করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া, অপ্রয়োজনীয় ডিজিটাল স্ক্রিন টাইম কমিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছু সময় কাটালে মানসিক শান্তি ফিরে আসে।

সর্বোপরি, নিজের কাজের জন্য অবাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ না করে ছোট কিন্তু বাস্তবসম্মত লক্ষ্য ঠিক করা উচিত। ব্যর্থতার ভয় বা নিখুঁতকরণের মানসিকতা অনেক সময় কাজ শুরু করতেই বাধা সৃষ্টি করে। তাই কাজ শুরু করার ছোট ছোট পদক্ষেপগুলোই এই স্থবিরতা ভাঙার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। নিজেদের দৈনন্দিন অভ্যাসে এই পরিবর্তনগুলো আনতে পারলে দীর্ঘস্থায়ী একঘেয়েমি ও অলসতা কাটিয়ে আরও বেশি উৎপাদনশীল ও আনন্দময় জীবনযাপন করা সম্ভব।

মূল প্রতিবেদন / সূত্র News Source
মূল প্রতিবেদন পড়ুন
ভেরিফাইড ডিজিটাল নিউজ নেটওয়ার্ক

২৪টিভি ডিজিটাল মিডিয়া ও স্পনসরশিপ নেটওয়ার্ক

আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন লাখো পাঠকের কাছে। সরাসরি যোগাযোগ করুন।

সরাসরি টিভি স্ট্রিমিং • শীর্ষ ১০ পোর্টাল আরএসএস • লাইভ স্পোর্টস স্কোর
ভিজিট করুন: 24tv.live
বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন:

এই বিভাগের সম্পর্কিত খবর

HEALTH ক্যাটাগরির অন্যান্য প্রতিবেদন
সব দেখুন

সর্বশেষ আরও তাজা খবর

দেশের ও বিশ্বের সাম্প্রতিক প্রকাশিত খবরসমূহ
সব খবর