২৪টিভি লাইভ • বাংলাদেশের সবচাইতে বড় নিউজ, টিভি ও স্পোর্টস পোর্টাল
LIVE 1080p FHD AUTO STREAM
স্পনসর বিজ্ঞাপন / Google AdSense Leaderboard (Responsive)
24TV.LIVE ডিজিটাল মিডিয়া পোর্টাল
হোম HEALTH সংবাদ পাঠ
HEALTH ফ্যাক্ট-চেকড

শিশুরা কেন মিথ্যা বলে? অভিভাবক ও গবেষকদের ভাবাচ্ছে মনস্তাত্ত্বিক কারণ

শিশুরা কেন মিথ্যা বলে? অভিভাবক ও গবেষকদের ভাবাচ্ছে মনস্তাত্ত্বিক কারণ
সংবাদ চিত্র ও সংগ্রহ: News Source ছবি স্বত্ব সংরক্ষিত
24tv
24tv.live লাইভ ২৪/৭

বাংলাদেশের সবচাইতে বড় নিউজ, টিভি ও স্পোর্টস পোর্টাল

ভিজিট করুন: ভিজিট করুন: 24tv.live
ভেরিফাইড ডিজিটাল নিউজ নেটওয়ার্ক সরাসরি টিভি স্ট্রিমিং • শীর্ষ ১০ পোর্টাল আরএসএস • লাইভ স্পোর্টস স্কোর 24TV DIGITAL
এই সংবাদটি অডিওতে শুনুন
স্বয়ংক্রিয় বাংলা ভয়েস রিডার (Web Speech API)

শিশুদের মিথ্যা বলার প্রবণতা কেবল অপরাধপ্রবণতা নয়, বরং এর পেছনে লুকিয়ে থাকে মনস্তাত্ত্বিক ও পরিবেশগত নানা কারণ। সঠিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে এই আচরণ নিয়ন্ত্রণ না করলে পরবর্তীতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

শিশুদের আচরণ গঠন এবং তাদের মানসিক বিকাশের বিষয়টি বর্তমানে সমাজবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশেষ করে শিশুরা কেন সত্য গোপন করে বা মিথ্যা বলে, তা নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিশুরা জন্মগতভাবে মিথ্যাবাদী হয় না; বরং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি, ভয় কিংবা অনুকরণ থেকে তারা এই পথ বেছে নেয়। অনেক সময় অতিরিক্ত শাস্তির ভয় বা কঠোর শাসনের কারণে শিশুরা সত্য বলতে ভয় পায় এবং শাস্তির হাত থেকে বাঁচতে মিথ্যার আশ্রয় নেয়।

মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বয়ঃসন্ধি বা এর আগের প্রাথমিক বিকাশ পর্যায়ে শিশুদের কল্পনাশক্তির জগৎ অনেক বিস্তৃত থাকে। কখনো কখনো তারা তাদের কল্পনার গল্পকে বাস্তব হিসেবে উপস্থাপন করে, যাকে অভিভাবকরা অনেক সময় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা বলে ভুল করেন। এ ছাড়া মনোযোগ আকর্ষণ করার প্রবণতা, অভিভাবকদের অবহেলা কিংবা কোনো বিশেষ লক্ষ্য অর্জনের তাগিদ থেকেও শিশুরা অনেক সময় অসত্যের সাহায্য নেয়। এই বয়সটাতে তাদের নৈতিক বোধ পুরোপুরি বিকশিত হয় না, ফলে কোনটি সঠিক আর কোনটি ভুল তা তারা সবসময় বিচার করতে পারে না।

এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় অভিভাবকদের অত্যন্ত সতর্ক ও ধৈর্যশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিশু মনোবিশেষজ্ঞরা। শিশুদের ওপর অতিরিক্ত রাগারাগি বা শারীরিক শাস্তি প্রয়োগ না করে তাদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করা উচিত। তাদের মধ্যে সত্য বলার সাহস তৈরি করতে হবে এবং সত্য কথা বললে প্রশংসা বা পুরস্কৃত করার সংস্কৃতি চালু করা যেতে পারে। পাশাপাশি, অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিজেদের আচরণেও সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে, কারণ শিশুরা বড়দের অনুকরণ করেই বেশি শেখে।

পরিশেষে, শিশুর মিথ্যা বলার অভ্যাসকে কেবল একটি অসদাচরণ হিসেবে না দেখে এর মূল কারণ খুঁজে বের করা জরুরি। পরিবারের ইতিবাচক পরিবেশ, খোলামেলা আলোচনা এবং স্নেহের শাসন পারে শিশুদের এই বদভ্যাস থেকে দূরে রাখতে। একটি সুস্থ ও সুন্দর মানসিকতাসম্পন্ন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে শিশুদের মনস্তত্ত্ব অনুধাবন করার কোনো বিকল্প নেই, যা আমাদের সামগ্রিক সমাজ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

মূল প্রতিবেদন / সূত্র News Source
মূল প্রতিবেদন পড়ুন
ভেরিফাইড ডিজিটাল নিউজ নেটওয়ার্ক

২৪টিভি ডিজিটাল মিডিয়া ও স্পনসরশিপ নেটওয়ার্ক

আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন লাখো পাঠকের কাছে। সরাসরি যোগাযোগ করুন।

সরাসরি টিভি স্ট্রিমিং • শীর্ষ ১০ পোর্টাল আরএসএস • লাইভ স্পোর্টস স্কোর
ভিজিট করুন: 24tv.live
বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন:

এই বিভাগের সম্পর্কিত খবর

HEALTH ক্যাটাগরির অন্যান্য প্রতিবেদন
সব দেখুন

সর্বশেষ আরও তাজা খবর

দেশের ও বিশ্বের সাম্প্রতিক প্রকাশিত খবরসমূহ
সব খবর