মামুনুল হকের দলের ঢাকার দুই সিটির মেয়র প্রার্থী সম্পর্কে যা জানা গেল

মুর্শিদ আলম সিদ্দিকী ও মাওলানা মাহবুবুল হকআসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। শনিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে...
মুর্শিদ আলম সিদ্দিকী ও মাওলানা মাহবুবুল হকআসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। শনিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই প্রার্থীর নাম ও দলীয় পরিচয় ঘোষণা করা হয়। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজধানী ঢাকার দুই গুরুত্বপূর্ণ সিটিতে সংগঠন ও তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত এমন দুই শীর্ষ নেতাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে:।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি):। ঢাকা উত্তরে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মাওলানা মুর্শিদ আলম সিদ্দিকী। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি এবং দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি):। ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে লড়বেন হাফেজ মাওলানা মাহবুবুল হক। তিনি দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এবং অবিভক্ত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত আলেম মরহুম শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.)-এর সুযোগ্য সন্তান।
সংবাদ সম্মেলনে দলের শীর্ষ নেতারা জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দেশব্যাপী পূর্ণ শক্তিতে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং অন্যান্য সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি রাজধানীর দুই সিটিতে সৎ, আদর্শবান ও জনবান্ধব নেতৃত্ব উপহার দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
মামুনুল হকের দলের ঢাকার দুই সিটির মেয়র প্রার্থী সম্পর্কে যা জানা গেল—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।






মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।