ফ্যাসিস্টরা বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে আস্তাকুঁড়ে ফেলে দিতে চেয়েছিল

ছবি: আমার দেশবগুড়া-৫ আসনের এমপি গোলাম মো. সিরাজ বলেছেন, ফ্যাসিস্টের সময় এই দিনটিকে কেড়ে নিয়েছিল, ইতিহাস থেকে ঐতিহাসিক ঘটনা গুলোকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল আস্তাকুঁড়ে। কিন্তু মানুষের হৃদয়েও ইতিহাস থাকে, সেটা তারা কেড়ে নিতে পারেনি। যে ফ্যাসিস্টরা ঐতিহাসিক দিনটিকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছ...
ছবি: আমার দেশবগুড়া-৫ আসনের এমপি গোলাম মো. সিরাজ বলেছেন, ফ্যাসিস্টের সময় এই দিনটিকে কেড়ে নিয়েছিল, ইতিহাস থেকে ঐতিহাসিক ঘটনা গুলোকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল আস্তাকুঁড়ে। কিন্তু মানুষের হৃদয়েও ইতিহাস থাকে, সেটা তারা কেড়ে নিতে পারেনি। যে ফ্যাসিস্টরা ঐতিহাসিক দিনটিকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল, তারাই আজকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।
শনিবার দুপুর ১২টায় বগুড়ার ধুনট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ধুনট উপজেলা বিএনপির সভাপতি তৌহিদুল আলম মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আসিফ সিরাজ রব্বানী, ধুনট পৌর বিএনপির সভাপতি আলিমুদ্দিন হারুন মন্ডল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর আহমেদ পাশা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন চঞ্চল, বিএনপি নেতা আপেল মাহমুদ, রফিকুল ইসলাম শাহীন, মোখফিজুর রহমান বাচ্চু, মুঞ্জিল হোসেন, কামরুল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জন, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মধু, পৌর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আল আমিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আলফিজুর রহমান স্বপন, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম, পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি দুলাল হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলম হাসান, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক একে মিনু ও উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিন্নাহুর রহমান রাকিব। সমাবেশ শেষে ধুনট শহরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র্যালি বের হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে এমপি সিরাজ র্যালিতে নেতৃত্ব দেন। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। এর আগে সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
ফ্যাসিস্টরা বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে আস্তাকুঁড়ে ফেলে দিতে চেয়েছিল—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।






মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।