পোশাকশ্রমিকের ‘ছদ্মবেশে’ নাশকতার অভিযোগে গত ২৪ ঘণ্টায় নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্যকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।আজ মঙ্গলবার ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের এক খুদে বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় খুদে বার্তায় জানানো ...
পোশাকশ্রমিকের ‘ছদ্মবেশে’ নাশকতার অভিযোগে গত ২৪ ঘণ্টায় নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্যকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আজ মঙ্গলবার ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের এক খুদে বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় খুদে বার্তায় জানানো হয়নি।
ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে কয়েক দিন ধরে রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার বাইরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন চলছে। আন্দোলনকালে সহিংস ঘটনাও ঘটেছে। .আশুলিয়ায় ৪০ কারখানায় ছুটি, শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া.আজ সকালেও রাজধানীর মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে পোশাকশ্রমিকদের সংঘর্ষ হয়েছে।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রমিকেরা মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের নিচে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা বিভিন্ন দিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পোশাকশ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।
এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। .মিরপুরের কালশীতে এক পুলিশকে ঘিরে ধরে মারধর করেন কয়েকজন, জানালেন প্রত্যক্ষদর্শীরা .গত শনি ও রোববার শ্রমিকেরা মিরপুর-১০, ১১, ১২ নম্বরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। রোববার মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। .মিরপুরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরে ৫ মামলা, আজও বিচ্ছিন্নভাবে সড়কে নামার চেষ্টা.গতকাল সোমবারও মিরপুরের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে শ্রমিকেরা সড়কে নামার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।
কয়েকটি স্থানে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। আজ আবার মিরপুরে সড়কে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন শ্রমিকেরা। .মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে পোশাকশ্রমিকদের সংঘর্ষ, গাড়িতে আগুন।
পোশাকশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তার: ডিএমপি—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, অর্থনীতি ও বাণিজ্য অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!