ভোক্তাপর্যায়ে আবারও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। টানা পঞ্চমবারের মতো ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণের এ সিদ্ধান্তকে ‘জনস্বার্থবিরোধী’ উল্লেখ করে অবিলম্বে ব...
ভোক্তাপর্যায়ে আবারও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। টানা পঞ্চমবারের মতো ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণের এ সিদ্ধান্তকে ‘জনস্বার্থবিরোধী’ উল্লেখ করে অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষ যখন চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা, তখন রান্নার এই অপরিহার্য উপাদানের দাম বারবার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গত আট মাসে পাঁচ দফায় এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে—যা সাধারণ মানুষের ওপর চরম অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে। তারা আরো উল্লেখ করেন, পাইপলাইনের গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে দেশের কোটি কোটি পরিবার এখন এলপিজির ওপর নির্ভরশীল।
আর এই নির্ভরশীলতাকে পুঁজি করে আন্তর্জাতিক বাজারের অজুহাতে বারবার দাম বাড়ানো হচ্ছে। নেতৃদ্বয়ের অভিযোগ, "এলপিজি আমদানি ও বাজারজাতকরণে জড়িত অসাধু চক্রের স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে খুচরা বাজারে বিক্রি হলেও তা নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
এর প্রভাব হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সামগ্রিক বাজারে পড়ছে উল্লেখ করে ছাত্রশিবির নেতারা অবিলম্বে এলপিজির বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার, বাজার মনিটরিং জোরদার এবং অসাধু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
এলপিজির বাড়তি দাম প্রত্যাহারের দাবি ছাত্রশিবিরের—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!