ছবি: আনাদোলুইরানের দক্ষিণাঞ্চলে মঙ্গলবার ভোরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপ ও হরমোজগান প্রদেশের উপকূলীয় শহর বন্দর লেঙ্গেহতে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
ছবি: আনাদোলুইরানের দক্ষিণাঞ্চলে মঙ্গলবার ভোরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপ ও হরমোজগান প্রদেশের উপকূলীয় শহর বন্দর লেঙ্গেহতে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ইরানের সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
তবে হামলার কারণ, হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত কেশম দ্বীপে পাঁচটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। অন্যদিক আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস জানিয়েছে, হরমোজগান প্রদেশের বন্দর লেঙ্গেহ শহরে সাগরের দিক থেকে বিস্ফোরণের শব্দ এসেছে।
বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্যও দেয়নি সংবাদ সংস্থা দুটি। এমন এক সময়ে এই বিস্ফোরণের খবর এল, যখন হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা প্রশমনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সোমবার জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, কাতারের মধ্যস্থতায় এই যোগাযোগ সহজ করতে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি দোহা সফর করেছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।
জবাবে ইরান ইসরাইল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পরে এপ্রিলে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এর আগে গত ১৮ জুন হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করে।
তবে প্রণালিটির নিরাপত্তা নিয়ে মতবিরোধের কারণে চুক্তিটির বাস্তবায়ন থমকে যায়। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
ইরানে নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, হরমুজে ছড়িয়েছে আতঙ্ক—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!