এইচএসসিতে সর্বোচ্চ ২ বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা শুরু ১ ডিসেম্বর

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আগামী ১ ডিসেম্বর শুরু হবে এই ‘সাপ্লিমেন্টারি’ পরীক্ষা। নিয়মিত ও অনিয়মিত দুই ধরনের পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ ...
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আগামী ১ ডিসেম্বর শুরু হবে এই ‘সাপ্লিমেন্টারি’ পরীক্ষা। নিয়মিত ও অনিয়মিত দুই ধরনের পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয় পরবর্তী সময়ে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ পরীক্ষার রুটিন জানিয়ে দেওয়া হবে। বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাঁকে এক বছর পর, অর্থাৎ পরের বছরের পরীক্ষায় আবার বসতে হয়।
সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়গুলো অথবা চাইলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু একটি বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। .এবার এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের আবারও পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা বিভাগ।
গত ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। আর এক বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন পরীক্ষার্থী।
.এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে.এইচএসসিতে পাস কম, উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি আসন।
এইচএসসিতে সর্বোচ্চ ২ বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা শুরু ১ ডিসেম্বর—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।