সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা তেমন ভালো না কাটলেও দ্বিতীয় দিনের শুরুটা দারুণ হয়েছে বাংলাদেশের। এদিন প্রথম সেশনে ৩ উইকেট নিয়ে ফাইফার পূর্ণ করেছেন হাসান মাহমুদ। মেহেদী হাসান মিরাজ ফিরিয়েছেন সেট ব্যাটার জাস্টিন গ্রিভসকে। আর তাতে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন পর্যন্ত উইন্ডিজের সংগ্...
সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা তেমন ভালো না কাটলেও দ্বিতীয় দিনের শুরুটা দারুণ হয়েছে বাংলাদেশের। এদিন প্রথম সেশনে ৩ উইকেট নিয়ে ফাইফার পূর্ণ করেছেন হাসান মাহমুদ। মেহেদী হাসান মিরাজ ফিরিয়েছেন সেট ব্যাটার জাস্টিন গ্রিভসকে।
আর তাতে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন পর্যন্ত উইন্ডিজের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩২২ রান। দিনের শুরুটা ছিল একটু ম্যাড়মেড়ে। প্রথম ১০ ওভারে কোনো উইকেট তুলতে পারেনি বাংলাদেশ।
গতদিনের মতোই দেখেশুনে ব্যাটিং করছিলেন আমির জাঙ্গু এবং জাস্টিন গ্রিভস। ম্যাচে মোড় আসে নতুন বল নেয়ার পর। নতুন বলে নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই পরপর দুই বলে দুই উইকেট তুলে নেন হাসান।
প্রথমে জাঙ্গুকে ফেরান দারুণ এক ইনসুইংয়ে বোল্ড করে। পরের বলে আবারও ইনসুইং। রস্টন চেজের ব্যাটের ভেতরের কাণায় লেগে বল চলে যায় উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে।
হ্যাটট্রিকও পেতে পারতেন হাসান। হাসানের লেংথ বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে লাইন মিস করেন জশুয়া বিশপ, বল গিয়ে লাগে তার প্যাডে। আউটের আবেদন করতেই সঙ্গে সঙ্গে আঙুল তুলে দেন পাকিস্তানি আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব।
উল্লাসে ফেটে পড়েন ক্রিকেটার থেকে শুরু করে গ্যালারিতে থাকা দর্শকরাও। তবে বেরসিক রিভিউ সেই আনন্দের উপলক্ষ্যকে কিছুটা মলিন করেছে। রিভিউয়ে দেখা যায়, বল ব্যাটে লেগে তারপর পায়ে লেগেছে বিশপের।
বিশপকে অবশ্য পরে হাসানই ফিরিয়েছেন। এই উইকেটে কৃতিত্ব আছে লিটনেরও। দারুণ এক স্টাম্পিং করেছেন এই উইকেটরক্ষক।
বিশপকে ফিরিয়ে ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফাইফার তুলে নিলেন হাসান। গত মাসে আফগানিস্তানের বিপক্ষেও ফাইফার নিয়েছিলেন এই পেসার। পরের ওভারে বোলিংয়ে এসে জাস্টিন গ্রিভসকে আউট করেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
তার হাওয়ায় ভাসানো বলে লাইন মিস করে বোল্ড হয়েছেন গ্রিভস। ৫১ রান করে সাজঘরে ফেরেন গ্রিভস। মধ্যাহ্নবিরতির আগে গ্রিভস এবং ওয়ারিক্যান মিলে আরও ২১ রান যোগ করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
হাসানের ফাইফার, প্রথম সেশন বাংলাদেশের—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।




এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!