জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় দিনে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েছেন ক্রিকেটাররা। ঢাকা বিভাগের হয়ে তাইবুর রহমানের ডাবল সেঞ্চুরিতে ৫১৩ রানের বড় সংগ্রহ এসেছে। চট্টগ্রামের ইরফান সাবরি তাকরিরও পেয়েছেন সেঞ্চুরি। অন্যদিকে সিলেটের বিপক্ষে প্রিতম কুমারের সেঞ্চুরি সত্ত্বেও বড় ব্য...
জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় দিনে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েছেন ক্রিকেটাররা। ঢাকা বিভাগের হয়ে তাইবুর রহমানের ডাবল সেঞ্চুরিতে ৫১৩ রানের বড় সংগ্রহ এসেছে। চট্টগ্রামের ইরফান সাবরি তাকরিরও পেয়েছেন সেঞ্চুরি।
অন্যদিকে সিলেটের বিপক্ষে প্রিতম কুমারের সেঞ্চুরি সত্ত্বেও বড় ব্যবধানে পিছিয়ে রাজশাহী। নাসুম আহমেদ ও আবু হায়দার রনির পাঁচ উইকেটের দিনে চাপে পড়েছে রাজশাহী ও বরিশাল। তাইবুরের ডাবল সেঞ্চুরিতে ঢাকার বড় সংগ্রহ।
আগের দিন সেঞ্চুরি করা তাইবুর দ্বিতীয় দিনে তুলে নিয়েছেন ডাবল সেঞ্চুরি। ২৯৪ বলে ২১১ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। আমিনুল ইসলাম বিপ্লব করেন ৬৪ রান, সুমন খানের ব্যাট থেকে আসে ৪৪।
তাইবুর নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরার পর ৫১৩ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা। খুলনার শেখ পারভেজ জীবন নিয়েছেন চার উইকেট। জবাবে ২ উইকেটে ১৩২ রান তুলে দিন শেষ করেছে খুলনা।
তামিম অপরাজিত ৪৯ এবং মোহাম্মদ মিঠুন ২৪ রানে ব্যাট করছেন। কালাম সিদ্দিকি অলিন করেছেন ৪৭ রান। ইরফানের সেঞ্চুরিতে এগিয়ে চট্টগ্রাম।
রংপুরকে আগের দিন ১৬৬ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর ব্যাট হাতে দারুণ জবাব দিয়েছে চট্টগ্রাম। দ্বিতীয় দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩০৪ রান। সাদিকুর রহমান ৯০ রানে থামলেও ইরফান সাবরি তাকরির ২১২ বলে ১০৪ রান করেছেন।
তাঁর ইনিংসে ছিল ১৩টি চার ও একটি ছক্কা। রংপুরের মেহেদী হাসান নিয়েছেন তিন উইকেট। চট্টগ্রাম এগিয়ে ১৩৮ রানে।
প্রিতমের সেঞ্চুরির পরও রাজশাহীকে বাঁচাতে পারেনি নাসুম। সিলেটের ৩৩৬ রানের জবাবে রাজশাহী থেমেছে ১৯২ রানে। দলের অন্য ব্যাটাররা ব্যর্থ হলেও অধিনায়ক প্রিতম কুমার খেলেছেন ১১৪ বলে ১০৫ রানের ইনিংস।
তবে নাসুম আহমেদের বাঁহাতি স্পিনে ধসে পড়ে রাজশিয়ার ব্যাটিং। ৪৩ রানে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে বিনা উইকেটে ৬৩ রান তুলে সিলেট এগিয়ে ২০৮ রানে।
মোসাব্বেকের অভিষেকেই ৬৯, রনির পাঁচ উইকেট। মোহাম্মদ ফাহিমের ৫৯ ও অভিষিক্ত মোসাব্বেক হোসেন সানির অপরাজিত ৬৯ রানে ময়মনসিংহ প্রথম ইনিংসে করেছে ৩৮৬ রান। বরিশালের তানভির ইসলাম ও রুয়েল মিয়া নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট।
জবাবে আবু হায়দার রনির পাঁচ উইকেটের তোপে ৮ উইকেটে ১৩৬ রান তুলে দিন শেষ করেছে বরিশাল। ফজলে মাহমুদ রাব্বি করেছেন ৮০ রান। এখনো ২৫০ রানে পিছিয়ে তারা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
তাইবুরের ডাবল সেঞ্চুরি, নাসুম-রনির ফাইফার—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।




এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!