নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ থেকে এবারের এইচএসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ হাজার ৫৫২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১ হাজার ৫৫১ জন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৬১ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ।কলেজের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উচ্চমাধ্যমিক...
নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ থেকে এবারের এইচএসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ হাজার ৫৫২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১ হাজার ৫৫১ জন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৬১ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ।কলেজের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট ১৫৫২ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এক শিক্ষার্থী পরীক্ষা চলাকালে অসুস্থ হয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারায় তিনি অকৃতকার্য হয়েছেন। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ হাজার ৫৮ শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯৪ জন। ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ১৮০ জন অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৬৯ জন এবং মানবিক শাখা থেকে ৩১১ জন অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৮ জন।ফলাফলে উচ্ছ্বসিত কলেজের শিক্ষার্থীরাকলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও গভর্নিং বডির সভাপতি আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, ‘প্রথমেই আল্লাহ তালার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। এটি নরসিংদীবাসীর অর্জন।’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সেরা ফলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে।
সরেজমিনে অনুসন্ধান ও প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রগুলো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সার্বিক পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন। কোনো প্রকার বিভ্রান্তিকর তথ্য যাতে সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্বেগ তৈরি করতে না পারে, সেজন্য দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে নিয়মিত বিরতিতে তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে সার্বিক দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনের শাসন ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য বিশেষ সহায়তা সেল সক্রিয় করা হয়েছে।
নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সামগ্রিক বিষয়টিকে ইতিবাচক সমাধানের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য দায়িত্বশীল মহলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। পুরো পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে যথাসময়ে অবহিত করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে। বিদ্যমান নিয়মকানুন ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করাই এখন সবার মূল লক্ষ্য।
সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক স্থিতি বজায় রাখতে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর তৎপরতা জোরদার রয়েছে। কোনো প্রকার ভিত্তিহীন তথ্য বা গুজবে কান না দিয়ে সরকারি ও দায়িত্বশীল সূত্রের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির ওপর আস্থা রাখার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। যেকোনো নতুন তথ্য ও তদন্তের অগ্রগতি প্রকাশ্যে এলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় অবগত করানো হবে।
দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা এবং কার্যকর সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সামগ্রিক ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই মুহূর্তের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সচেতন নাগরিক ও বিশ্লেষক মহলের মতে, নিয়মতান্ত্রিক পদক্ষেপ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই বিদ্যমান যেকোনো জটিল পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং দায়িত্বশীল অবস্থান ভবিষ্যতে ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নিয়োজিত কর্মীবৃন্দ সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছেন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ তদারকি সেল গঠন করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে সকল প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!