রান্নাঘরে বানর

সিলেটে শাহি ঈদগাহ মাঠের পাশেই আমাদের বাসা ছিল। আর চাশনি পীরের মাজার তো আমাদের বাসা থেকে খুব কাছেই ছিল। সেই মাজারে অনেক বানর থাকে, এটাই ওই মাজারের বিশেষত্ব। প্রায়ই মানুষের বাসায় বানর ঢুকে যেত। একদিন আমাদের বাসায়ও ঢুকেছিল। যেদিন আমাদের বাসায় বানর ঢুকেছিল, সেই দিনের ঘটনাটা...
সিলেটে শাহি ঈদগাহ মাঠের পাশেই আমাদের বাসা ছিল। আর চাশনি পীরের মাজার তো আমাদের বাসা থেকে খুব কাছেই ছিল। সেই মাজারে অনেক বানর থাকে, এটাই ওই মাজারের বিশেষত্ব।
প্রায়ই মানুষের বাসায় বানর ঢুকে যেত। একদিন আমাদের বাসায়ও ঢুকেছিল। যেদিন আমাদের বাসায় বানর ঢুকেছিল, সেই দিনের ঘটনাটা বলি।
দুপুরে খাওয়ার পর আপু আর আমি টিভি দেখছিলাম। আম্মু তখন ঘুমাচ্ছিল আর বাবা ছিল অফিসে। একসময় আমি টয়লেটে গেলাম, হঠাৎ জানালার দিকে চোখ পড়তেই দেখি, কিসের যেন ছায়া।
তখন আমার আর বুঝতে বাকি রইল না যে সেটা কিসের ছায়া। তাড়াতাড়ি টয়লেট থেকে দৌড়ে বের হয়ে আপুকে বললাম আম্মুকে ডাকতে, বানর এসেছে; কিন্তু আপু বলল আম্মুকে বিরক্ত না করে আমরাই বাসার সব দরজা-জানালা লাগিয়ে দিই, তাহলেই বানর আর বাসার ভেতরে ঢুকতে পারবে না। তারপর আপু আর আমি একে একে সব রুমের দরজা-জানালা লাগিয়ে দিলাম; কিন্তু রান্নাঘরের কথা আমরা দুজনই ভুলে গিয়েছিলাম।
আবার আম্মুর রুমের একটা জানালা অনেক দিন ধরে আটকে ছিল, সেটাও বন্ধ করতে পারিনি। .খাবারের প্যাকেটে লেখা মেয়াদ শেষ হলেই কি আর খাওয়া যাবে না.কিছুক্ষণ পর আমি আপুকে বললাম, আমি রান্নাঘরের পাশের টয়লেটে যাব, তাই আপু যেন একটু দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে। (বলে রাখি, আমাদের বাসাটা বিশাল বড় ছিল।
রান্নাঘরের শব্দ আম্মুর রুম থেকে তেমন শোনা যেত না। ) রান্নাঘর থেকে একটু সামনেই টয়লেটটা ছিল। আমরা রান্নাঘরের দিকে যেতেই তাকিয়ে দেখি একটা বড়সড় বানর বসে আমাদের কৌটা থেকে মটর খাচ্ছে, জানালাটা খোলা।
তারপর আমরা ভয়ে আম্মুকে ডেকে তুললাম। একে তো বাসায় বানর ঢোকার ভয়, তার ওপর পাশের বাসার আন্টি বেড়াতে গেছেন বলে তাঁদের মাছভর্তি অ্যাকুয়ারিয়ামটা আমাদের বাসায় রেখে গেছেন; বানরটা যদি সেই মাছ খেয়ে ফেলে। আম্মু উঠে রান্নাঘরের দরজাটা বন্ধ করে দিল, যেন বানরটা জানালা দিয়েই আবার বের হয়ে যেতে পারে।
তারপর আম্মু আর আমি ড্রয়িংরুমের সোফায় বসে নিচের উঠোনে বানরের বিচরণ দেখতে থাকলাম। দেখলাম, বাড়িওয়ালা নানা বানরদের বিস্কুট খাওয়াচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর আম্মুর সঙ্গে আমরা রান্নাঘরে গিয়ে দেখি, বানরটা চলে গেছে; কিন্তু শেলফের সবকিছু উল্টাপাল্টা করে গেছে।
তবে আমরা এখনো বুঝে উঠতে পারি না যে কীভাবে এত বড় বানরটা গ্রিল দেওয়া জানালা দিয়ে বাসায় ঢুকে পড়ল। লেখক: দশম শ্রেণি, সৃষ্টি সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জামালপুর.লিখব লিখব করেও চিঠি লেখা হলো না।
রান্নাঘরে বানর—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।



মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।