ব্রেকিং নিউজ

সংবাদ বা বিষয় অনুসন্ধান করুন

24TV.Live
প্রচ্ছদ লাইভ টিভি সংবাদ খেলাধুলা ই-স্পোর্টস পত্রিকা ডিরেক্টরি যোগাযোগ
কল করুন হোয়াটসঅ্যাপ
ক্যাটাগরি সমূহ:
জাতীয় আন্তর্জাতিক ই-স্পোর্টস দেশ ২৪ দেশ সংবাদ রাজনীতি অর্থনীতি খেলাধুলা
খেলাধুলা ফ্যাক্ট-চেকড

বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক পাখা বদলালে বিদ্যুতের চাহিদা কমবে আড়াই হাজার মেগাওয়াট

System Administrator • বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬ • ৯৮ বার পঠিত
ফন্ট সাইজ:
বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক পাখা বদলালে বিদ্যুতের চাহিদা কমবে আড়াই হাজার মেগাওয়াট
বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক পাখা বদলালে বিদ্যুতের চাহিদা কমবে আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছবি: 24TV.Live
24tv.live AI চালিত পোর্টাল
২৪tv.live — বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র সম্পূর্ণ এআই-ভিত্তিক লাইভ টিভি, নিউজ ও স্পোর্টস পোর্টাল
ভিজিট করুন: 24tv.live
এই সংবাদটি অডিওতে শুনুন
স্বয়ংক্রিয় বাংলা ভয়েস রিডার (Web Speech API)

গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় বাসাবাড়িতে ফ্যান বা বিদ্যুৎ–চালিত পাখা ব্যবহারের ফলে ৫ হাজার ২১২ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা তৈরি হয়। রাত ৯টার দিকে এসব ফ্যানের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি থাকে। সাধারণ এসব ফ্যান বদলে কম বিদ্যুৎ খরচের বিএলডিসি (ব্রাশলেস ডাইরেক্ট কারেন্ট) ফ্যান ব্য...

গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় বাসাবাড়িতে ফ্যান বা বিদ্যুৎ–চালিত পাখা ব্যবহারের ফলে ৫ হাজার ২১২ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা তৈরি হয়। রাত ৯টার দিকে এসব ফ্যানের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি থাকে। সাধারণ এসব ফ্যান বদলে কম বিদ্যুৎ খরচের বিএলডিসি (ব্রাশলেস ডাইরেক্ট কারেন্ট) ফ্যান ব্যবহার করলে ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুতের চাহিদা কমানো সম্ভব।

ইনস্টিটিউট ফর অ্যানার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। আজ সোমবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের ২৬ জেলার ৪৩৫টি পরিবারকে মাসিক আয়ের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে জরিপ চালিয়ে এই গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

.‘হাউসহোল্ড স্পেস কুলিং ইন বাংলাদেশ: রোল অব এনার্জি-এফিশিয়েন্ট ফ্যানস’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি লিখেছেন আইইইএফএর বাংলাদেশবিষয়ক প্রধান জ্বালানিবিশ্লেষক শফিকুল আলম। প্রতিবেদনে বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যান ব্যবহারের ফলে কী সুফল পাওয়া যাবে, তা তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, দেশে ব্যবহৃত মোট ফ্যানের মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ বিএলডিসি ফ্যান।

এসব ফ্যান চালাতে ৩৫ ওয়াট বিদ্যুৎ লাগে। অন্যদিকে সাধারণ ফ্যান চালাতে লাগে ৭০ ওয়াট বা তারও বেশি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় আবাসিক খাতে।

এ ক্ষেত্রে ফ্যান ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) ব্যবহারে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোও গ্রীষ্মকালে দুটি পর্যন্ত ফ্যান ব্যবহার করে। এতে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা বাড়ে।

চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুতের সরবরাহ করতে না পারায় অনেক সময় ৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হয়। এ ক্ষেত্রে সাধারণ ফ্যানের বদলে বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহার করলে গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের চাহিদা কমানোর পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভবিষ্যতে ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ এড়ানো সম্ভব। সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে দেশে বর্তমানে ব্যবহৃত বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়, এমন সব ফ্যান বদলে ফেলা যাবে।

.সার্বিক বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) জন্য চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যানের ব্যবহার বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা কমবে। এতে পিডিবির ওপর চাপও কমবে।

তবে বিদ্যুৎ বিল কমানোর আগ্রহ থাকলেও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যান সম্পর্কে মানুষের ধারণা কম। জরিপে অংশ নেওয়া ৭৫ শতাংশ পরিবারই বাজারে এ ধরনের ফ্যান পাওয়া যায়, সে সম্পর্কে অবগত নয়। .বছরে ৮ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা সাশ্রয় হবেপ্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহার করলে বছরে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৯১৩ গিগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।

এর আর্থিক মূল্য ৮ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা (৭৩ কোটি মার্কিন ডলার)। এসব ফ্যান ব্যবহারে কতটা বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়, তা জানার পর জরিপে অংশ নেওয়া ৯৬ শতাংশ পরিবার বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহারে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে দাম বেশি হওয়ায় অনেক পরিবারের পক্ষে এসব ফ্যান কেনা কঠিন।

একটি সাধারণ ফ্যানের দাম প্রায় ২ হাজার টাকা (১৬ দশমিক ৩ মার্কিন ডলার)। অন্যদিকে বিএলডিসি ফ্যানের দাম ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার ৩০০ টাকা (৪০ দশমিক ৭ থেকে ৫১ দশমিক ৩ মার্কিন ডলার)। দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ পরিবারের মাসিক আয় ২৫ হাজার টাকা বা তার কম।

গ্রীষ্মকালে এসব পরিবারের গড় মাসিক বিদ্যুৎ বিল ৬৬৩ টাকা। আর্থিক সহায়তা না পেলে বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের মাধ্যমে বিএলডিসি ফ্যান কেনার বাড়তি খরচ পুষিয়ে নিতে এসব পরিবারের ৭ দশমিক ৭ থেকে ৯ দশমিক ৬ বছর সময় লাগবে। তবে বড় পরিসরে একসঙ্গে ফ্যান কেনা এবং কার্বন ক্রেডিট বিক্রির অর্থ কাজে লাগানো গেলে এ সময় কমে ৪ দশমিক ৮ বছরে নেমে আসতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যানের ব্যবহার বাড়াতে সরকারকে একটি পরিকল্পিত কর্মসূচি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে। .সাতটি সুপারিশপ্রতিবেদনে সাতটি সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যানের ব্যবহার বাড়াতে একটি জাতীয় কর্মসূচি নেওয়া যেতে পারে।

বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যান এবং এসব ফ্যান ব্যবহারে কীভাবে বিদ্যুৎ বিল কমে, তা মানুষকে জানানো প্রয়োজন। ক্রেতারা যাতে সহজেই বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যান চিনতে পারেন, সে জন্য ফ্যানের মান নির্ধারণ এবং লেবেল–সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হলে সুফল পাওয়া যাবে। স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য বিএলডিসি ফ্যানের দাম কমাতে হবে।

কিস্তিতে ফ্যানের দাম পরিশোধে বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে সমন্বয়ের সুযোগ রাখা যেতে পারে।

তথ্যসূত্র: এই সংবাদটির মূল তথ্য ও বিবরণ প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত। 24TV.Live এর এআই নিউজ এডিটর সম্পাদকীয় নীতি ও মানদণ্ড বজায় রেখে এটি পুনর্লিখন করেছে।

মন্তব্য (০)

আপনার মতামত লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!

আরও পড়তে পারেন

বেটা ঘোষণা: এটি 24TV.Live এর বেটা সংস্করণ। আপনার মতামত জানান।
মতামত দিন