নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের ঢল, তারেক রহমানের নেতৃত্বে র্যালি শুরু

ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টন থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি শুরু করেছে বিএনপি। শনিবার বিকেল সোয়া তিনটায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এ র্যালি শুরু হয়।
ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টন থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি শুরু করেছে বিএনপি। শনিবার বিকেল সোয়া তিনটায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এ র্যালি শুরু হয়। র্যালিতে অংশ নিতে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের পাশাপাশি আশপাশের জেলা ও উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে জড়ো হন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ সময় তাদের হাতে ছিল জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং দলের শীর্ষ নেতাদের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড। নেতাকর্মীদের গগনবিদারী স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকা। র্যালি শুরুর আগে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। নয়াপল্টন থেকে শুরু হওয়া এই শোভাযাত্রাটি প্রধান বিচারপতির বাসভবন ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
র্যালি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে দলের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকেরা। পাশাপাশি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি শনিবার দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরেও জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা করেছে বিএনপি। এ ছাড়া আগামী রবিবার (৮ নভেম্বর) দেশের সব থানা ও উপজেলা পর্যায়ে এ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার কর্মসূচি রয়েছে দলটির। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের ঢল, তারেক রহমানের নেতৃত্বে র্যালি শুরু—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।






মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।