ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষাও পেছাচ্ছে না

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৭ সালের ১৬ জানুয়ারি হবে এই শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। আজ শনিবাবার বুয়েটের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বুয়েটে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্না...
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৭ সালের ১৬ জানুয়ারি হবে এই শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। আজ শনিবাবার বুয়েটের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বুয়েটে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তিতে আবেদন ২১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়েও (বুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষাও পূর্বনির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। .২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা ছিল না।
ফলে কেবল লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত করা হয়েছিল। এবারও সে পদ্ধতিতে ভর্তিযোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হবে কি না, বিজ্ঞপ্তিতে তেমন কোনো তথ্য জানানো হয়নি। ভর্তি আবেদনের শেষ সময় ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হবে বলে বুয়েট জানিয়েছে।
.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আগের সূচিতেই ভর্তি আবেদন ও পরীক্ষা, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ.এদিকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনঃ পরীক্ষা শুরু হবে ১ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে। এরপর এসব পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে। এসব শিক্ষার্থীর কথা বিবেচনায় নিয়ে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
.দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা: ভিসায় পরিবর্তন, পড়া শেষে তিন বছর থাকার সুযোগ.ওই সভার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েট নির্ধারিত সময়েই ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের কথা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ফলে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থীর কেউ পুনঃ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। .অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, দ্বিতীয়বার পরীক্ষার সুযোগ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষাও পেছাচ্ছে না—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।




মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।