আঙ্কারায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত

বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে ৭ নভেম্বর ২০২৬, আজ শনিবার বাংলাদেশ দূতাবাস, আঙ্কারায় যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হয়েছে। সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক।
বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে ৭ নভেম্বর ২০২৬, আজ শনিবার বাংলাদেশ দূতাবাস, আঙ্কারায় যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হয়েছে। সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক। পতাকা উত্তোলন শেষে দূতাবাসের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। কর্মসূচির পরবর্তী অংশে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেরিত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। বাণী পাঠ শেষে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের পটভূমি ও তাৎপর্যের ওপর চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রেরিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, তাঁবেদারি অপশাসন, দুর্নীতি ও ষড়যন্ত্রের সেই কঠিন সময়ে ঐক্যবদ্ধ সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশ তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পেয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ঐক্যের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। পরিশেষে ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দুর্নীতি, বৈষম্য ও সব ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে দেশের অগ্রযাত্রায় কাজ করার পাশাপাশি প্রবাসের মাটিতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আঙ্কারার বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আঙ্কারায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।






মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।