সংবাদ বা বিষয় অনুসন্ধান করুন

24TV.Live
প্রচ্ছদ লাইভ টিভি সংবাদ খেলাধুলা ই-স্পোর্টস পত্রিকা ডিরেক্টরি যোগাযোগ
কল করুন হোয়াটসঅ্যাপ
ক্যাটাগরি সমূহ:
জাতীয় আন্তর্জাতিক ই-স্পোর্টস দেশ ২৪ দেশ সংবাদ রাজনীতি অর্থনীতি খেলাধুলা

ইসলামবিদ্বেষের মধ্যেও যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ৯৭ মুসলিম প্রার্থীর জয়

ইসলামবিদ্বেষের মধ্যেও যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ৯৭ মুসলিম প্রার্থীর জয়
ইসলামবিদ্বেষের মধ্যেও যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ৯৭ মুসলিম প্রার্থীর জয় 24TV.Live
বিজ্ঞাপন

সংবাদটি শেয়ার করুন

Facebook WhatsApp X

সংক্ষিপ্ত লিংক: https://24tv.live/a/1935

QR কোড স্ক্যান করুন

সংক্ষেপ সংবাদ

আবদুল আল-সাইয়েদ ও ইলহান ওমরনির্বাচনি প্রচারণায় রিপাবলিকান শিবির ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলীয় নেতাদের পক্ষ থেকে নাম নিয়ে ব্যঙ্গ, পরিকল্পিত ইসলামবিদ্বেষী প্রচারণা এবং নানা হুমকির পরও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতি...

সংবাদটি শুনুনবাংলা অডিও পাঠ (Web Speech API)
বিজ্ঞাপন

বিস্তারিত প্রতিবেদন

আবদুল আল-সাইয়েদ ও ইলহান ওমরনির্বাচনি প্রচারণায় রিপাবলিকান শিবির ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলীয় নেতাদের পক্ষ থেকে নাম নিয়ে ব্যঙ্গ, পরিকল্পিত ইসলামবিদ্বেষী প্রচারণা এবং নানা হুমকির পরও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নির্বাচনে ইতিহাস গড়েছেন মুসলিম প্রার্থীরা। মার্ক...

আবদুল আল-সাইয়েদ ও ইলহান ওমরনির্বাচনি প্রচারণায় রিপাবলিকান শিবির ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলীয় নেতাদের পক্ষ থেকে নাম নিয়ে ব্যঙ্গ, পরিকল্পিত ইসলামবিদ্বেষী প্রচারণা এবং নানা হুমকির পরও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নির্বাচনে ইতিহাস গড়েছেন মুসলিম প্রার্থীরা। মার্কিন সিনেট, প্রতিনিধি পরিষদ, অঙ্গরাজ্য আইনসভা থেকে শুরু করে স্কুল বোর্ড—সব স্তরেই রেকর্ডসংখ্যক মুসলিম প্রার্থীর এই বড় বিজয় দেশটির রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। মুসলিম নাগরিক অধিকারবিষয়ক সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর)-এর হিসাব অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন স্তরে মোট ১৬৮ জন মুসলিম প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

তাদের মধ্যে অন্তত ৯৭ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এই সাফল্যের তালিকায় সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে এসেছে মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে ড. আবদুল আল-সাইয়েদের বিজয়, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নির্বাচিত হয়েছেন ছয়জন মুসলিম সদস্য।

এর মধ্যে ইলহান ওমর, রাশিদা তালিব, আন্দ্রে কারসন ও লতিফা সাইমন পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন এবং নতুন মুখ হিসেবে জয় পেয়েছেন আদম হামাউই ও দারিয়া লিজা আভিলা সেভালিয়া। এর বাইরে অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে ৩৯ জন, পৌরসভা ও কাউন্টিতে ১৬ জন, স্কুল বোর্ডে ২৭ জন এবং বিচারক পদে ৮ জন মুসলিম প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মতে, প্রতিকূল পরিবেশ ও ইসলামবিদ্বেষের মধ্যেও মুসলিম প্রার্থীদের এমন নজরকাড়া সাফল্যের পেছনে মূলত চারটি বড় নিয়ামক কাজ করেছে:।

১. মুসলিম ভোটারদের নজিরবিহীন সক্রিয়তা:। যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার মাত্র প্রায় এক শতাংশ মুসলিম হলেও রাজনীতিতে তাদের সম্পৃক্ততা ও ভোটার নিবন্ধন গত এক বছরে প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। জর্জিয়াসহ গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেটগুলোতে বিপুলসংখ্যক মুসলিম আগাম ভোট (Early Voting) দিয়ে নিজেদের প্রভাব জানান দিয়েছেন।

২. গাজা যুদ্ধ ও পররাষ্ট্রনীতিতে ক্ষোভ:। সিএআইআর-এর জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৮০ শতাংশ মুসলিম ভোটার জানিয়েছেন যে গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান ও ফিলিস্তিন সংকট তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলেছে। নীতিগত পরিবর্তনের দাবিতে মুসলিমরা দলবদ্ধভাবে ব্যালট বাক্সে এর বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।

৩. ইসলামবিদ্বেষের বিপরীতে প্রতিরোধ:। নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের নাম নিয়ে ট্রাম্পের কটাক্ষ, মসজিদে হামলার মতো ঘটনা এবং রিপাবলিকানদের সংগঠিত মুসলিমবিরোধী প্রচারণা ভীতি ছড়ানোর বদলে মুসলিম সমাজকে আরো বেশি ভোটমুখী করেছে। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার বলেছেন, ক্রমবর্ধমান ইসলামবিদ্বেষই তাদের ভোটকেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত করেছে।

৪. ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আন্তরিকতার প্রকাশ:। অতীতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশে ইতস্তত করলেও এবার মুসলিম প্রার্থীরা নিজেদের বিশ্বাস ও মানবিক মূল্যবোধকে আড়াল না করে সরাসরি জনসেবার দর্শনের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। ভোটারদের সামনে তাদের এই সততা ও আন্তরিকতা সাধারণ অমুসলিম নাগরিকদেরও বিপুল সমর্থন পেতে সাহায্য করেছে।

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।

ইসলামবিদ্বেষের মধ্যেও যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ৯৭ মুসলিম প্রার্থীর জয়—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।

বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।

ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

তথ্যসূত্র: এই সংবাদটির মূল তথ্য ও বিবরণ আমার দেশ থেকে সংগৃহীত। 24TV.Live এর এআই নিউজ এডিটর সম্পাদকীয় নীতি ও মানদণ্ড বজায় রেখে এটি পুনর্লিখন করেছে।

মন্তব্য (০)

আপনার মতামত লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!

আরও পড়তে পারেন

বেটা ঘোষণা: এটি 24TV.Live এর বেটা সংস্করণ। আপনার মতামত জানান।
মতামত দিন