ডায়াপার আর কত দিন? শিশুকে নিজে থেকে টয়লেট ব্যবহার শেখানো বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো বয়স নেই—শিশুর শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতির ওপরই এই সময় নির্ভর করে। .সাধারণত দেড় থেকে তিন বছর বয়সের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু টয়লেট ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হয়...
শিশুকে নিজে থেকে টয়লেট ব্যবহার শেখানো বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো বয়স নেই—শিশুর শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতির ওপরই এই সময় নির্ভর করে। .সাধারণত দেড় থেকে তিন বছর বয়সের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু টয়লেট ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হয়ে ওঠে।
শিশু টানা দুই ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ডায়াপার শুকনা রাখতে পারছে কি না, প্রস্রাব বা পায়খানার আগে মুখভঙ্গি বা আচরণ বদলে অস্বস্তি প্রকাশ করছে কি না, নিজে থেকে হাঁটতে-বসতে-দাঁড়াতে পারছে কি না, সহজ নির্দেশনা বুঝে সাড়া দিতে পারছে কি না এবং বড়দের টয়লেট ব্যবহার দেখে আগ্রহ দেখাচ্ছে কি না—এগুলো দেখে বোঝা যায় যে শুরু করার সময় হয়েছে। .শারীরিক-স্নায়বিক প্রস্তুতির আগে শুরু করলে প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয় এবং শিশুর মধ্যে ব্যর্থতাজনিত হতাশা তৈরি হতে পারে। .প্রথমেই শিশুর জন্য আলাদা একটি পটি চেয়ার বা টয়লেট সিট অ্যাডাপ্টার সংগ্রহ করুন।
শুরুতে জোর না করে শুধু সেখানে বসান। এরপর একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন। ঘুম থেকে ওঠার পর, খাওয়ার পরপর বা ঘুমানোর আগে—প্রতিদিন একই সময়ে পটিতে বসার অভ্যাস করালে শরীরে একটি প্রাকৃতিক ছন্দ তৈরি হয়।
শিশু সফল হলে সংক্ষিপ্ত প্রশংসা দিন; অতিরিক্ত পুরস্কার, যেমন চকলেট বা খেলনা না দেওয়াই ভালো। ব্যর্থ হলে বকাঝকা বা লজ্জা দেবেন না। .চার বছর বয়সের পরও শিশু দিনের বেলায় প্রস্রাব-পায়খানা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে, ট্রেনিং শুরুর পর হঠাৎ আগের অভ্যাসে ফিরে গেলে, প্রস্রাব বা পায়খানার সময় ব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের লক্ষণ থাকলে, কিংবা শিশু টয়লেট নিয়ে তীব্র ভয় বা আতঙ্ক দেখালে দেরি না করে শিশুবিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ডা. মানিক মজুমদার, শিশু ও নবজাতক বিশেষজ্ঞ, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ময়মনসিংহ.টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশু–কিশোরের সংখ্যা বাড়ছে, সচেতন থাকবেন কীভাবে।
শিশুর কখন টয়লেট ব্যবহার শুরু করা উচিত—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!