প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের প্রকাশ্যে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ)। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের প্রকাশ্যে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ)। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। রোববার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এমআরএর সভাপতি ফখরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান।
বিবৃতিতে এমআরএর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা কেবল একটি গণমাধ্যমের প্রতি অবজ্ঞা নয়, বরং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মুক্ত সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অবমাননা। কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদনে আপত্তি থাকলে তার প্রতিবাদ জানানো কিংবা আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু প্রকাশ্যে সংবাদপত্র ছিঁড়ে ক্ষোভ প্রকাশ কোনোভাবেই দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণ হতে পারে না।
ভিন্নমতের জবাব দিতে হবে যুক্তি, তথ্য ও প্রমাণ দিয়ে; সংবাদপত্রের প্রতি অবমাননাকর আচরণের মাধ্যমে নয়। এমআরএর নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল, সংযত ও গণতান্ত্রিক আচরণ প্রত্যাশিত। তার এমন কর্মকাণ্ড সরকারের ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।
রাজনৈতিক পদ বা ক্ষমতার অবস্থান কাউকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কিংবা সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের অধিকার দেয় না। বরং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আচরণে সহনশীলতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধার প্রতিফলন থাকা জরুরি। বিবৃতিতে এমআরএ আরও উল্লেখ করে, সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা যায়, কিন্তু সত্য প্রকাশের আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা যায় না।
গণতন্ত্রে ভিন্নমত মোকাবিলা করতে হয় যুক্তি ও তথ্য দিয়ে, অবজ্ঞা কিংবা অসহিষ্ণুতা দিয়ে নয়। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় এমআরএর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, রাজনীতি অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!