কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মেয়াদোত্তীর্ণ চারটি ইউনিয়ন পরিষদে বিএনপি নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাদেকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মেয়াদোত্তীর্ণ চারটি ইউনিয়ন পরিষদে বিএনপি নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাদেকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার মোহাম্মদ আবদুল করিম। মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হয়েছেন বিএনপি নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজবাহ উদ্দিন মজিদী। কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম এবং শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রবীণ বিএনপি নেতা আব্দুল কাদির চৌধুরী।
এর আগে হোয়ানক, মাতারবাড়ী ও কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদে উপজেলা প্রশাসনের তিনজন কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে গত ২ নভেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের নতুন আদেশে তাদের নিয়োগ বাতিল করে এই নতুন প্রশাসকদের নিয়োগ দেওয়া হয়। একই আদেশের ধারাবাহিকতায় শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদেও নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান মাহমুদ ডালিম বলেন, ‘স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মহেশখালীর চারটি ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা দায়িত্ব গ্রহণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
মহেশখালীর চার ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগ পেলেন বিএনপি নেতারা—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!