ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক এক নেতাকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেছেন ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। আটক ব্যক্তির নাম অর্ক রায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক। আজ রোববা...
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক এক নেতাকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেছেন ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। আটক ব্যক্তির নাম অর্ক রায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক।
আজ রোববার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হলের ভেতর থেকে তাঁকে আটক করা হয়। .প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অর্ক রায় মাঝেমধ্যেই হলে যাতায়াত করতেন। আজ বিকেলে হলের একটি ক্যানটিনে খাওয়ার সময় ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা তাঁকে দেখতে পেয়ে আটক করেন।
পরে হল প্রশাসন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের উপস্থিতিতে তাঁকে শাহবাগ থানা–পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক দেবাশীষ পাল বলেন, আটক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পুলিশ দেখবে।
তিনি মাঝেমধ্যে হলে যাতায়াত করতেন বলে জানা গেছে। আজ দেখতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাঁকে আটক করেন। .প্রাধ্যক্ষ আরও বলেন, ছাত্রলীগের পদধারী কারও নামেই বর্তমানে হলে সিট বরাদ্দ নেই, তাঁদের সবার সিট আগেই বাতিল করা হয়েছে।
হলে এ ধরনের কেউ অবৈধভাবে অবস্থান করছেন কি না, হল প্রশাসন তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখবে। জগন্নাথ হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ধ্রুব রায় বলেন, অর্ক রায় রাতে হলে লুকিয়ে অবস্থান করছিলেন বলে তাঁদের কাছে তথ্য ছিল। আজ দিনে প্রকাশ্যে তাঁকে ক্যানটিনে দেখতে পেয়ে আটক করা হয়।
সম্প্রতি জগন্নাথ হলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনি জড়িত থাকতে পারেন বলেও অভিযোগ করেন এই ছাত্রদল নেতা। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকে পুলিশে দিলেন ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, রাজনীতি অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!