ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা চন্দন সূত্রধর।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা চন্দন সূত্রধর। রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড় ভাই আনন্দ সূত্রধর।
চন্দন সূত্রধর বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সম্মুখসারিতে থেকে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তার মাথায় এখনো বুলেট রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সহপাঠী ও শিক্ষকরা।
তার বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায়। তার বাবার নাম অনীল সূত্রধর এবং মায়ের নাম সন্ধ্যা সূত্রধর। চন্দনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার সহপাঠী আজিজুর রহমান বলেন, ডেঙ্গুতে আমার বন্ধুকে হারাতে হবে, এটা কখনো কল্পনাও করিনি।
একজন প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে অকালে চলে যাবে, বিষয়টি মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। তার চলে যাওয়ায় আমরা একজন বন্ধুকে হারিয়েছি, যা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। ডেঙ্গু এখন আর সাধারণ কোনো বিষয় নয়, এটি ভয়াবহ প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।
তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। আর কোনো পরিবার যেন এভাবে প্রিয়জনকে না হারায়। জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ত্বহা হুসাইন বলেন, খবরটি শুনে আমি মর্মাহত।
হঠাৎ করে তার চলে যাওয়া যেন বিশ্বাস করতে পারছি না। ছেলেটি খুবই ভালো ছিল। সে একজন জুলাইযোদ্ধাও ছিল।
মাঝেমধ্যে তার সঙ্গে কথা হতো। চন্দনের মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী, শিক্ষক ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল জুলাইযোদ্ধা চন্দনের, শোকের ছায়া বেরোবিতে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!