কক্সবাজারের উখিয়ায় গভীর নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে ছড়িয়ে পড়া আগুন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে কমে আসতে পারে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। তবে নির্ধারিত সময়ে আগুনের প্রবাহ হ্রাস না পেলে বিশেষজ্ঞ দলের সহায়তায় বিকল্প উপায়ে আগুন নেভানোসহ গ্যাস নির্গমন বন্...
কক্সবাজারের উখিয়ায় গভীর নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে ছড়িয়ে পড়া আগুন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে কমে আসতে পারে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। তবে নির্ধারিত সময়ে আগুনের প্রবাহ হ্রাস না পেলে বিশেষজ্ঞ দলের সহায়তায় বিকল্প উপায়ে আগুন নেভানোসহ গ্যাস নির্গমন বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। রোববার পেট্রোবাংলার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৭ অক্টোবর উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছোট ইনানী সেতু-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সেখানে গভীর নলকূপ বসাতে গিয়ে এক হাজার ফুট খননের পর ভূগর্ভ থেকে হঠাৎ গ্যাস বের হতে থাকে এবং একপর্যায়ে আগুন ধরে যায়। .ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) দুজন ভূতত্ত্ববিদকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
তাঁরা সেখানে অবস্থান করে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী আগুন যাতে আশপাশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য আপাতত গ্যাস উন্মুক্তভাবে বের হওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। .নিরাপত্তা সতর্কতা হিসেবে ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলের চারপাশের ১০০ মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পেট্রোবাংলা, বাপেক্স ও স্থানীয় প্রশাসন সার্বক্ষণিক যৌথ নজরদারি চালাচ্ছে। এদিকে ওই এলাকায় প্রাকৃতিক গ্যাসের সম্ভাব্য মজুত নিরূপণে ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও টু-ডি সিসমিক জরিপসহ প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হয়ে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
কক্সবাজারে নলকূপ খননে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, যা জানাল পেট্রোবাংলা—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, রাজনীতি অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!