আমার দেশ গ্রাফিক্সপাসের হার শূন্য কিংবা আশঙ্কাজনকভাবে কম— এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অবিলম্বে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার বিকেলে সামাজিক মাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।
আমার দেশ গ্রাফিক্সপাসের হার শূন্য কিংবা আশঙ্কাজনকভাবে কম— এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অবিলম্বে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার বিকেলে সামাজিক মাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি। ছবি সম্বলিত পোস্টে উল্লেখ করা হয়, পাসের হার শূন্য কিংবা আশঙ্কাজনকভাবে কম- এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনতে এক সপ্তাহের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর।
জানা যায়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে এক সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি। এই সময়ের মধ্যে এ প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শিক্ষা খাতের মানোন্নয়ন এবং যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক, সেগুলোর তদারকি জোরদার করতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই কঠোর অবস্থান নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনও শিক্ষার্থী পাস করেননি। গত বছর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এবার কোনও শিক্ষার্থী পাস করেননি, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।
অন্যদিকে, শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। ফলাফল অনুযায়ী, এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। উত্তীর্ণ হয়েছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন।
সেই হিসাবে পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪০ হাজার ৮৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
এইচএসসিতে পাসের হার শূন্য বা কম থাকা প্রতিষ্ঠান নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, রাজনীতি অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!