উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহজাহান খান মিয়ার ছেলে মাহি। চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহজাহান খান মিয়ার ছেলে মাহি। চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ছেলেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এই তথ্য নিজেই সামনে আনেন শাহজাহান।
ফেসবুক পোস্টটিতে ছেলের একটি ছবি যুক্ত করে সেটির ক্যাপশেনে শাহজাহান খান লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। অনেক অনেক ভালবাসা, দোয়া ও শুভ কামনা রইলো বাজান। বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহজাহান খান বলেন, আমি ১৯৯৮ সালে ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হই।
কিন্তু বিগত ১৭ বছর আমার দল পাওয়ারে ছিল না। ওই সময়ে ছাত্রদল করার মতন কোনো মানুষ ছিল না। সে সময় বিবেচনা করে আমাকে সভাপতি করে কমিটি দিয়েছিল।
২০১৮ সালের সেই কমিটি এখনও বহাল আছে। ছেলের কৃতিত্বে শুভেচ্ছা জানানোয় অযাচিত সমালোচনা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কমিটির ভাঙা-গড়া দলের সিদ্ধান্ত, এটা আমার সিদ্ধান্ত নয়। দল যখন মনে করবে তখন কমিটি দেবে, দল যখন মনে করবে কমিটি ভেঙে দেবে।
এর ভিতরে বিয়ে-শাদী মানুষ করবে না। বাচ্চা-কাচ্চা হবে না। আমার ছেলে ভালো কিছু করে, তার জন্য কি আমি আমার মনের আকাঙ্ক্ষা জানাতে পারব না।
শাহজাহান খান আরও বলেন, এখনো পর্যন্ত দল আমাকে ছাত্রদলেই রেখেছে। দল সেটা মনে করেছে বলেই তো রেখেছে। তারেক রহমানের কাছে, আমাদের চেয়ারম্যানের কাছে কি এসব রিপোর্ট নেই।
এ ছাড়া আমাদের যখন কমিটি হয়, তখন সেটা জেনুইন কমিটি দিয়েছে; সেই সময়ে বিবাহিত-অবিবাহিত বিষয়টা ছিল না। তবে আমার এখন যুবদল করার মোক্ষম বয়স। কিন্তু দলের সিদ্ধান্তের বাইরে তো আমি যেতে পারি না।
আমি তো চাইলেই তো আমার ইচ্ছামতো চলতে পারব না। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, রাজনীতি অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!