ইসলামাবাদে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপিত

ইসলামাবাদের বাংলাদেশ হাইকমিশন আজ শনিবার যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন করেছে। সকালে দূতালয় প্রাঙ্গণে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইক...
ইসলামাবাদের বাংলাদেশ হাইকমিশন আজ শনিবার যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন করেছে। সকালে দূতালয় প্রাঙ্গণে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান। এ সময় সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়।
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ওপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক-ভৌগোলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য উন্নত ও বজায় রাখতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি–জনতার বিপ্লবের চেতনা মনেপ্রাণে ধারণ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান সবাইকে স্বাগত জানিয়ে আমাদের জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতির অপরিসীম গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাক্ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
তিনি দেশকে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে মুক্তি দেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতিকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে নিষ্ঠার সঙ্গে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান হাইকমিশনার।
আলোচনা শেষে দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
ইসলামাবাদে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপিত—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।






মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।