এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময় বৃদ্ধি

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রকাশিত ফলে অসন্তুষ্ট হয়ে পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের (খাতা চ্যালেঞ্জ) জন্য এ পর্যন্ত আবেদন করেছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ জন শিক্ষার্থী। তারা মোট ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি উত্তরপত্র (বিষয়) পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন চেয়েছেন।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রকাশিত ফলে অসন্তুষ্ট হয়ে পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের (খাতা চ্যালেঞ্জ) জন্য এ পর্যন্ত আবেদন করেছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ জন শিক্ষার্থী। তারা মোট ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি উত্তরপত্র (বিষয়) পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন চেয়েছেন। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শনিবার পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের শেষ সময় ছিল।
তবে কারিগরি সমস্যার কারণে শেষ দিকে আবেদন কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ায় সময় বাড়িয়ে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শনিবার রাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত জরুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, কারিগরি (অনলাইনে) ত্রুটির কারণে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদন প্রক্রিয়া ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিঘ্নিত হয়।
এ কারণে অনেক পরীক্ষার্থী ওই সময়ে আবেদন করতে পারেনি। পরীক্ষার্থীদের ওই বিষয়টি বিবেচনা করে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের শেষ সময় ৭ নভেম্বর রাত ১২টার পরিবর্তে ৮ তারিখ দুপুর ১২টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলো। সূত্রমতে, গত ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে।
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।
অর্থাৎ এবার প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এদিকে নতুন নিয়ম অনুযায়ী ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের পাশাপাশি পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন। গত ১ নভেম্বর থেকে এই আবেদন গ্রহণ করা হয়।
ফল পরিবর্তনের আশায় এই আবেদন করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নে বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছিল। ওই সময় নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী।
আর ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৮৫ জন। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের। নম্বর পরিবর্তন হয়েছে ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের।
এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন খাতা পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেছিলেন। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময় বৃদ্ধি—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।