ইবিতে চাকরি হারালেন ২৬৮ কর্মচারী

ছবি: আমার দেশবিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সংকট এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে ২৬৮ জন ডে-লেবার ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন।
ছবি: আমার দেশবিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সংকট এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে ২৬৮ জন ডে-লেবার ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন। বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এর আগে গত ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭৬তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রশাসনের দাবি, এসব কর্মচারীর বেতন-ভাতা বাবদ প্রতি মাসে প্রায় ২১ লাখ টাকা ব্যয় হয়। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিলে এ ব্যয় বহনের মতো পর্যাপ্ত অর্থ নেই। এমনকি নিয়মিত কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করতেও ঋণ নিতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়কে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরে জনবল সংকট থাকলেও প্রয়োজনীয় নিয়োগের ক্ষেত্রে ইউজিসির অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ফলে বিশেষ বিবেচনায় চুক্তিভিত্তিক এবং থোক বরাদ্দের আওতায় এসব কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে একাংশ পোষ্য কোটায় নিয়োগ পেয়েছিলেন।
নিয়োগের পর থেকে অনেকে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করলেও স্থায়ী নিয়োগ পাননি। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ইউজিসির চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেট সভায় কর্মচারীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিলে অর্থের সংকট রয়েছে।
সরকার কিংবা ইউজিসি থেকেও তাদের বেতন-ভাতা বহনের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় তাদের বেতন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, এসব কর্মচারীর বেতন দিতে প্রতি মাসে প্রায় ২১ লাখ টাকা প্রয়োজন।
গত মাসেও ঋণ করে কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করতে হয়েছে। কাজ করার পরও বেতন না পাওয়া তাদের জন্য কষ্টকর। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে বড় ধরনের ঘাটতি থাকায় ধার করে এ ব্যয় দীর্ঘদিন চালানো সম্ভব নয়।
ছাঁটাই হওয়া কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধের বিষয়ে উপাচার্য জানান, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের গত তিন মাসের বকেয়া বেতন দেওয়া হবে। তবে চাকরি হারানোর পর তাদের কর্মসংস্থানের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা বা ভবিষ্যৎ নিয়োগের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
ইবিতে চাকরি হারালেন ২৬৮ কর্মচারী—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।




মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।