ব্রেকিং নিউজ

সংবাদ বা বিষয় অনুসন্ধান করুন

24TV.Live
প্রচ্ছদ লাইভ টিভি সংবাদ খেলাধুলা ই-স্পোর্টস পত্রিকা ডিরেক্টরি যোগাযোগ
কল করুন হোয়াটসঅ্যাপ
ক্যাটাগরি সমূহ:
জাতীয় আন্তর্জাতিক ই-স্পোর্টস দেশ ২৪ দেশ সংবাদ রাজনীতি অর্থনীতি খেলাধুলা
প্রযুক্তি ফ্যাক্ট-চেকড

আট শিক্ষকের কলেজে পরীক্ষার্থী ৪, পাস করেছে ১ জন

System Administrator • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬ • ১১৯ বার পঠিত
ফন্ট সাইজ:
আট শিক্ষকের কলেজে পরীক্ষার্থী ৪, পাস করেছে ১ জন
আট শিক্ষকের কলেজে পরীক্ষার্থী ৪, পাস করেছে ১ জন ছবি: 24TV.Live
24tv.live AI চালিত পোর্টাল
২৪tv.live — বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র সম্পূর্ণ এআই-ভিত্তিক লাইভ টিভি, নিউজ ও স্পোর্টস পোর্টাল
ভিজিট করুন: 24tv.live
এই সংবাদটি অডিওতে শুনুন
স্বয়ংক্রিয় বাংলা ভয়েস রিডার (Web Speech API)

ছবি: আমার দেশটাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের সাটিয়াচড়া গ্রামে প্রতিষ্ঠিত ছাফদার আলী কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ৮ জন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও চলতি বছর কলেজটি থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে পাস করেছে...

ছবি: আমার দেশটাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের সাটিয়াচড়া গ্রামে প্রতিষ্ঠিত ছাফদার আলী কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ৮ জন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও চলতি বছর কলেজটি থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে পাস করেছেন একজন ছাত্রী।

এতে কলেজটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৫ শতাংশ। এমন ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান, পাঠদান কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়াও এই নাজুক ফলাফলে ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও সচেতনমহল।

শনিবার এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর কলেজটির এমন ফলাফল প্রকাশ করা হয়। জানা যায়, ২০০৭ সালে ডা. মোহাম্মদ মোতাসিম বিল্লাহ তাঁর পিতা ছাফদার আলীর নামে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে কাগজে কলমে ২১ জন শিক্ষক থাকলেও বর্তমানে ৮ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন।

তবে শিক্ষক সংখ্যার তুলনায় শিক্ষার্থীদের এই ফলাফল নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চলতি বছর কলেজটি থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেন মাত্র একজন। গত বছর ৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

এতে পাস করেন মাত্র ১ জন। স্থানীয় বাসিন্দা শামীম আল মামুন চৌধুরী বলেন, কলেজটিতে পড়াশোনার পরিবেশ দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন।

অভিযোগ রয়েছে, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবর্তে অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টিকটক ব্যবহারে বেশি সময় ব্যয় করছে। ফলে শিক্ষার পরিবেশ ও ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ছাফদার আলী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডিএম সহিদুর রহমান বলেন, এ বছর আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে একজন পাস করেছে।

তবে সে জিপিএ কত পেয়েছে তা তিনি জানেন না। তিনি আরও বলেন আমি দুই মাস আগে এই কলেজে যোগদান করেছি। আগামীকাল ওই ছাত্রীর জিপিএ কত পেয়েছে তা বলতে পারবো।

অধ্যক্ষ নিজেকে সময় টিভির সাংবাদিক পরিচয় দেন। ফলাফল ভরাডুবির বিষয়ে নিজেদের দায় স্বীকার করেন তিনি। মির্জাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জুলফিকার হায়দার বলেন, কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বসে আছে।

ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি অধ্যক্ষ পরিবর্তন হয়েছে। শিক্ষার্থী সংকট, এমন ফলাফল কোনোভাবেই কাম্য নয়। ওই প্রতিষ্ঠান থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।

আট শিক্ষকের কলেজে পরীক্ষার্থী ৪, পাস করেছে ১ জন—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।

বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।

ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

তথ্যসূত্র: এই সংবাদটির মূল তথ্য ও বিবরণ আমার দেশ থেকে সংগৃহীত। 24TV.Live এর এআই নিউজ এডিটর সম্পাদকীয় নীতি ও মানদণ্ড বজায় রেখে এটি পুনর্লিখন করেছে।

মন্তব্য (০)

আপনার মতামত লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!

আরও পড়তে পারেন

বেটা ঘোষণা: এটি 24TV.Live এর বেটা সংস্করণ। আপনার মতামত জানান।
মতামত দিন