আগামী সপ্তাহেই অভিশংসিত হতে পারেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ছবি: আলজাজিরামধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের কাছে রিপাবলিকানদের শোচনীয় পরাজয়ের পেছনে বড় কারণ হতে পারে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত। তবে ভোটারদের আস্থা হারানোর দায়ভার সম্ভবত অন্য কারো ওপর বর্তাতে যাচ্ছে। আর তিনি হল...
ছবি: আলজাজিরামধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের কাছে রিপাবলিকানদের শোচনীয় পরাজয়ের পেছনে বড় কারণ হতে পারে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত। তবে ভোটারদের আস্থা হারানোর দায়ভার সম্ভবত অন্য কারো ওপর বর্তাতে যাচ্ছে। আর তিনি হলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অন্যতম জোরালো সমর্থক ছিলেন তিনি। সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনে বড় জয় পেয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া ডেমোক্র্যাটরা আগামী সপ্তাহেই পিট হেগসেথকে অভিশংসিত করার পক্ষে ভোট দিতে পারেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে হেগসেথের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ করছেন রিপাবলিকান নেতাদের একাংশ।
তাদের মতে, যুদ্ধের দ্রুত জয় এবং সহজ সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি পরিস্থিতি ভুলভাবে তুলে ধরেছেন। এমনকি যুদ্ধের কোনো সুস্পষ্ট সমাপ্তির পরিকল্পনাও ছিল না। প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকানরা কয়েক দিনের মধ্যেই প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা বা অভিশংসনের পক্ষে ভোট দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা টমাস ম্যাসি জানিয়েছেন, কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হলে আগামী সপ্তাহে হেগসেথের অভিশংসনের প্রস্তাবে ভোট আয়োজনের উদ্যোগ নেবেন তিনি। একাধিক রিপাবলিকান সূত্রের ধারণা, প্রস্তাবটি পাসও হতে পারে। তবে নির্বাচনে দলের বিপর্যয়ের জন্য শুধু ইরান যুদ্ধ নয়, আরও নানা কারণ রয়েছে বলে স্বীকার করছেন রিপাবলিকান কৌশলবিদরা।
তা সত্ত্বেও যুদ্ধের প্রভাবকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন দলটির অনেক নেতা। এদিকে হেগসেথের প্রতি আস্থা হারাননি ট্রাম্প। বরং তাকে দায়িত্বে বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
বুধবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, হেগসেথ ‘খুব ভালো কাজ করছেন’। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান নিয়েও নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আবারও যদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পেতাম, তাহলেও একই কাজ করতাম।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
আগামী সপ্তাহেই অভিশংসিত হতে পারেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।