ময়নামতি কুমিল্লা শহরে অবস্থিত
উত্তর: মহাস্থানগড় বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। এটি করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। প্রাচীনকালে এই স্থান ‘পুণ্ড্রনগর’ নামে পরিচিত ছিল। এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
প্রশ্ন: মহাস্থানগড়ে কী কী প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গেছে?
উত্তর: মহাস্থানগড়ে বৈরাগীর ভিটা, গোবিন্দ ভিটা ও খোদার পাথর ভিটা পাওয়া গেছে। এখানে পোড়ামাটির ফলক, ভাস্কর্য ও স্বর্ণমুদ্রা আবিষ্কৃত হয়েছে। এ ছাড়া রৌপ্যমুদ্রা, প্রস্তরের পুঁতি ও কাচের পুঁতি পাওয়া গেছে। এসব নিদর্শন মহাস্থানগড়ের প্রাচীন ইতিহাসের পরিচয় বহন করে।
প্রশ্ন: মহাস্থানগড়ের দুর্গ সম্পর্কে কী জানা যায়?
উত্তর: মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নগরী প্রায় ৮ মিটার উঁচু প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত ছিল। দুর্গের ধ্বংসাবশেষ এখনো সেখানে দেখা যায়। নগরীটি উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৫০০ মিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ১৪০০ মিটার বিস্তৃত। এর বিভিন্ন স্থানে প্রাচীন স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে।
প্রশ্ন: উয়ারী-বটেশ্বর কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: উয়ারী-বটেশ্বর নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলার প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে
অবস্থিত। এটি একটি প্রাচীন প্রত্নস্থল। এখানে প্রাচীন নগর সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোর একটি।
প্রশ্ন: উয়ারী-বটেশ্বরে কী কী প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গেছে?
উত্তর: উয়ারী-বটেশ্বরে ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রা ও পাথরের হাতিয়ার পাওয়া গেছে। এখানে লৌহ নির্মিত নানা বস্তু ও নানা ধরনের মৃৎপাত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। এ ছাড়া পাথর ও কাচের পুঁতিও পাওয়া গেছে। এসব নিদর্শন প্রাচীন নগর সভ্যতার পরিচয় বহন করে।
প্রশ্ন: উয়ারী-বটেশ্বরের দুর্গপ্রাচীর ও রাস্তা সম্পর্কে কী জানা যায়?
উত্তর: উয়ারী-বটেশ্বরে ৬০০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৬০০ মিটার প্রস্থের চারটি দুর্গপ্রাচীর আবিষ্কৃত হয়েছে। এখানে গণপথসহ ১৬০ মিটার দীর্ঘ রাস্তা পাওয়া গেছে। এসব নিদর্শন থেকে প্রাচীন নগর পরিকল্পনার পরিচয় পাওয়া যায়। উয়ারী-বটেশ্বরের নগরজীবন যে সুসংগঠিত ছিল, এসব নিদর্শন
প্রশ্ন: পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার কখন ও কার শাসনামলে নির্মিত হয়?
উত্তর: পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার ৭৮১–৮২১ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয়। পাল রাজা ধর্মপালের শাসনামলে এটি নির্মিত হয়েছিল। এটি প্রাচীন বাংলার বৌদ্ধ ধর্ম ও স্থাপত্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। বিহারটি প্রাচীনকালে শিক্ষা ও ধর্মচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল।
উত্তর: পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।


মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।