হাবিবি নামে রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি গড়লেন আবদুল আল-সাইয়েদ

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের প্রথম মুসলিম সদস্য নির্বাচিত আবদুল আল-সাইয়েদ। ছবি: সংগৃহীত।যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের প্রথম মুসলিম সদস্য নির্বাচিত হওয়ার কয়েক দিনের মাথায় ‘হাবিবি পিএসি’ নামে একটি রাজনৈতিক তহবিল সংগ্রহকারী সংগঠন চালু করেছেন আবদুল আল-সাইয়েদ। নির্বাচনি প্রচারে বারবার ব্...
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের প্রথম মুসলিম সদস্য নির্বাচিত আবদুল আল-সাইয়েদ। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের প্রথম মুসলিম সদস্য নির্বাচিত হওয়ার কয়েক দিনের মাথায় ‘হাবিবি পিএসি’ নামে একটি রাজনৈতিক তহবিল সংগ্রহকারী সংগঠন চালু করেছেন আবদুল আল-সাইয়েদ। নির্বাচনি প্রচারে বারবার ব্যবহার করা আরবি শব্দ ‘হাবিবি’ থেকেই সংগঠনটির নামকরণ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া নথিতে সংগঠনটির নিবন্ধনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে ওই নথির ছবি ছড়িয়ে দেন। রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি বা পিএসি কোনো রাজনীতিকের নিজস্ব নির্বাচনি প্রচার সংস্থা থেকে আলাদা।
এ ধরনের সংগঠন নির্বাচনে নির্দিষ্ট প্রার্থীকে সমর্থন বা বিরোধিতা করতে অর্থ সংগ্রহ ও ব্যয় করে। আরবি ‘হাবিবি’ শব্দের অর্থ ‘আমার প্রিয়’ বা ‘প্রিয়জন’। নির্বাচনি প্রচারের পুরো সময় শব্দটি ব্যবহার করেছেন আল-সাইয়েদ।
কখনো কখনো তার বিরোধীরা শব্দটি অবজ্ঞা বা ব্যঙ্গের সুরেও ব্যবহার করেছেন। একবার যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে উদ্দেশ করে আল-সাইয়েদ বলেছিলেন, ‘জেডি, হাবিবি, কী অদ্ভুত পরিহাস—সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে আগামী জানুয়ারিতে তোমাকেই আমাকে শপথ পড়াতে হবে। নির্বাচনি প্রচারের সময় তার অনেক সমর্থক ‘হাবিবি আবদুল’ লেখা টি-শার্ট পরে সমাবেশে যোগ দিতেন।
অন্যদের হাতে দেখা যেত ‘ইনশাআল্লাহ’ ও ‘আলহামদুলিল্লাহ’—এমন আরবি শব্দ লেখা ব্যানার। বক্তব্যেও এসব শব্দ ব্যবহার করেন আল-সাইয়েদ। ‘হাবিবি পিএসি’ চালুর সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
কেউ কেউ উদ্যোগটির প্রশংসা করেছেন, আবার অনেকে তাকে অবমাননাকর ও বর্ণবাদী শব্দ ব্যবহার করে আক্রমণ করেছেন। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
হাবিবি নামে রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি গড়লেন আবদুল আল-সাইয়েদ—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।






মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।