শহীদ জিয়ার হাত ধরেই বাংলাদেশ পথ খুঁজে পেয়েছিল: চসিক প্রশাসক

ছবি: আমার দেশচট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার হাত ধরেই বাংলাদেশ তার পথ খুঁজে পেয়েছিল। বিপ্লবী সৈনিকেরা সেদিন জিয়াকে ব্যারাক থেকে জনতার কাতারে নিয়ে এসেছিলেন। সিপাহি-জনতা সেদিন যদি জিয়াকে ক্যান্টনমেন্ট থেকে জনতার কাতা...
ছবি: আমার দেশচট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার হাত ধরেই বাংলাদেশ তার পথ খুঁজে পেয়েছিল। বিপ্লবী সৈনিকেরা সেদিন জিয়াকে ব্যারাক থেকে জনতার কাতারে নিয়ে এসেছিলেন। সিপাহি-জনতা সেদিন যদি জিয়াকে ক্যান্টনমেন্ট থেকে জনতার কাতারে না আনত, তবে দেশের রাজনীতি অন্য ধারায় চলে যেত।
সেদিন জনতার কাতারে আসার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয়তাবাদের অভ্যুত্থান ঘটেছিল এবং দেশের মানুষ তা দেখেছিল। বাংলাদেশ ফিরে পেয়েছিল বহুদলীয় গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব, অর্থনৈতিক মুক্তির পথ। শনিবার নগরের বিপ্লব উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের নভেম্বরে আওয়ামী ঘরানার ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ ও শাফায়েত জামিল জিয়াকে গৃহবন্দি করেছিলেন। পরবর্তীকালে জাসদ ঘরানার কর্নেল তাহের ও শাফায়েত জামিলের মধ্যে ক্যু ও পাল্টাক্যু হতে থাকে। একই সঙ্গে পাল্টা ক্যুতে ৬ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ ও শাফায়েত জামিলকে হত্যা করা হয়।
৭ নভেম্বর কর্নেল তাহের জিয়াউর রহমানকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে গিয়ে দেশের রাজনীতিকে অন্য এক ধারায় নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। ঠিক তখনই সেনাবাহিনীর বিপ্লবী সৈনিকেরা সেদিন জিয়াকে ব্যারাক থেকে জনতার কাতারে নিয়ে এসেছিলেন। ডা. শাহাদাত হোসেন আরও উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বর দেশের জনগণ পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়েছে।
কারণ ১৯৭১ সালে আমরা লাল-সবুজের পতাকা পেলেও প্রকৃত অর্থে পরাধীন ছিলাম। বিপ্লব ও সংহতির মাধ্যমেই দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তি মিলেছিল। ৫ বছরের শাসনামলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশকে একটি 'তলাবিহীন ঝুড়ি' থেকে বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে গৌরবের সৃ্গে দাঁড় করিয়েছিলেন।
এদিকে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চট্টগ্রামে বিএনপির মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন মিছিল, পুস্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। এছাড়াও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও জেলার উপজেলা প্রশাসন যথাযথ মর্যাদায় এবং নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে। দিবসটি উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বেলা সাড়ে দশটায় র্যালি, ১১টায় আলোচনা সভা করেছে জেলা প্রশাসন। এর বাইরে বেলা ১২টায় মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে আলোচনাসভা এবং দেশাত্মবোধক গানের আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
শহীদ জিয়ার হাত ধরেই বাংলাদেশ পথ খুঁজে পেয়েছিল: চসিক প্রশাসক—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।




মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।