গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) কাশিমপুর থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেছেন আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকেরা। তবে পুলিশ বলছে, শ্রমিকদের সঙ্গে দুষ্কৃতকারীরা ছিল। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের ...
গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) কাশিমপুর থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেছেন আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকেরা। তবে পুলিশ বলছে, শ্রমিকদের সঙ্গে দুষ্কৃতকারীরা ছিল। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। .পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর এলাকায় ডিবিএল গ্রুপের একটি কারখানার শ্রমিকেরা আন্দোলন করছিলেন।
একপর্যায়ে কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মোহাম্মদ খালিদ হোসেনসহ পুলিশের সদস্যরা শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন এবং ধাওয়া করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশ সদস্যরা দৌড়ে থানায় ফিরে যান।
পরে শ্রমিকেরা থানার আশপাশে জড়ো হয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
.এ ঘটনার পর থানা ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরে পুলিশের একাধিক টিম যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরাও ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান।
.থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা ও সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে কাশিমপুর থানার ওসি খালিদ হোসেন বলেন, শ্রমিকদের সঙ্গে দুষ্কৃতকারীরা যোগ দিয়ে থানার আশপাশে জড়ো হয়। তাদের থানা এলাকা থেকে চলে যেতে বললেও যাচ্ছিল না। পরে পুলিশের একাধিক টিম এসে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং লাঠিপেটা করে তাঁদের ছাত্রভঙ্গ করে দেয়।
শ্রমিকদের ধাওয়ায় রাস্তা থেকে থানায় পুলিশ, পরে সেখানেও ঘেরাওয়ের চেষ্টা—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!