রাজৈরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

ছবি: আমার দেশমাদারীপুরের রাজৈরে পরকীয়ায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী জান্নাতুল ইসলাম মাইসাকে (২০) শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সুজন মুন্সীর বিরুদ্ধে। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার কবিরাজপুর ইউনিয়নের শ্রীকৃষ্ণদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ছবি: আমার দেশমাদারীপুরের রাজৈরে পরকীয়ায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী জান্নাতুল ইসলাম মাইসাকে (২০) শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সুজন মুন্সীর বিরুদ্ধে। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার কবিরাজপুর ইউনিয়নের শ্রীকৃষ্ণদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত মাইসা গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার চরপ্রসন্নদী এলাকার হাবিবুর রহমান সেজালের মেয়ে। অভিযুক্ত সুজন মুন্সী রাজৈরের শ্রীকৃষ্ণদী গ্রামের আব্দুর রব মুন্সীর ছেলে। নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরবপ্রবাসী সুজনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে মাইসার বিয়ে হয়।
বিয়ের পর স্বামীর পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এ নিয়ে মাইসাকে একাধিকবার মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ স্বজনদের। পরিবারের অভিযোগ, বুধবার সন্ধ্যায় মাইসাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘরের মধ্যে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
পরে তাকে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত অবস্থায় পান। এ খবর পেয়ে নিহতের স্বজনেরা হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে মাইসার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন তারা।
পরে পুলিশ হাসপাতাল থেকে সুজনকে আটক করে। নিহতের পরিবারের দাবি, মাইসা দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এ ঘটনায় হাসপাতাল এলাকায় স্বজনদের আহাজারিতে শোকাবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে আটক করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে মৃত্যুর কারণ। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
রাজৈরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।